বার্থ সার্টিফিকেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। বর্তমানে সুবিধার জন্য ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেটও চালু হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও হার্ড কপি হারানোর সুযোগ থাকে। ফোন থেকে সফ্ট কপি ডিলিট হয়ে যেতে পারে।
2
13
তবে চিন্তার কারণ নেই। প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য হাতে থাকলে ডুপ্লিকেট জন্ম শংসাপত্রের জন্য আবেদন করা যায়। তার জন্য খুব সহজ কিছু নিয়ম রয়েছে।
3
13
নেট কানেকশন এবং মোবাইল বা কম্পিউটার থাকলে ঘরে বসেই ডুপ্লিকেট বার্থ সার্টিফিকেটর জন্য আবেদন করা যায়। খুব সহজ কিছু নিয়ম মানলেই কেল্লাফতে।
4
13
ভারতে সাধারণত সব জায়গাতেই স্থানীয় প্রশাসনের এলাকার বাসিন্দাদের জন্ম শংসাপত্রের রেকর্ড থাকে। ফলে, পুরসভা বা কর্পোরেশনে রেকর্ড থাকলে তার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে সার্টিফিকেটের কপি সংগ্রহ করা সম্ভব।
5
13
ডুপ্লিকেট জন্ম শংসাপত্রের জন্য আবেদন করার সময় আবেদনকারীর পরিচয় এবং জন্মের রেকর্ড সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী নথির তালিকায় কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে।
6
13
সাধারণভাবে কোনও একটি পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং আবেদনকারীর অন্যান্য তথ্যও লাগে। তবে একবার স্থানীয় পুরসভা বা কর্পোরেশনের নিয়ম অনুযায়ী নিশ্চিত করে নেওয়া ভাল।
7
13
প্রথমে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন বা পুরসভার ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে জন্ম শংসাপত্রের ডুপ্লিকেট বা অতিরিক্ত কপির জন্য অনলাইন পরিষেবা রয়েছে কি না, তা দেখতে হবে।
8
13
অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ থাকলে নির্দিষ্ট ফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। আবেদনকারীর নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান এবং জন্ম রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় নথির স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে।
9
13
আবেদন জমা দেওয়ার পর নির্ধারিত ফি অনলাইনে পরিশোধ করা যায়। কোথাও কোথাও ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড বা নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মতো পেমেন্টের ব্যবস্থা থাকতে পারে।
10
13
অনলাইনে না হলে পুরসভা বা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অফিসে গিয়ে আবেদন করতে পারেন। নির্দিষ্ট আবেদনপত্র পূরণ করে প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত করে তা জমা দিতে হবে।
11
13
কিছু ক্ষেত্রে অনলাইনে ফর্ম ফিল আপের করার পর তার প্রিন্টআউট নিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকতে পারে। আবেদন করার আগে অবশ্যই একবার পুরসভা বা কর্পোরেশনের নিয়ম জেনে নেবেন।
12
13
ডুপ্লিকেট বার্থ সার্টিফিকেটের জন্য নির্ধারিত ফি জায়গাভেদে আলাদা হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে সামান্য আবেদন ফি নেওয়া হয়। তবে বড়জোর ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
13
13
আবেদন করার পর তা ভেরিফিকেশন হবে সবার আগে। তারপর ডেটাবেস থেকে সংশ্লিষ্ট রেকর্ড খুঁজে বের করার পর জন্ম শংসাপত্রের কপি দেওয়া হয়।