ডিনার করেই ধূমপান করেন? কেবল ফুসফুস নয়, দুর্বল হচ্ছে শরীরের আরেক অংশ...
নিজস্ব সংবাদদাতা
১০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮ : ৩০
শেয়ার করুন
1
6
অনেকেই মনে করেন অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বুকজ্বালা শুধু কী খাওয়া হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে। বাস্তবে কিন্তু খাওয়ার পর আমরা কী করি-এই বিষয়টাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিছু অভ্যাস আছে, যেগুলো আমরা খুব স্বাভাবিক মনে করি, কিন্তু সেগুলোই নীরবে পাকস্থলীর অ্যাসিডকে উল্টো পথে ঠেলে দেয়। এর ফলে বুকজ্বালা, ঢেকুর, গলা জ্বালা বা রাতে ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। নিচে খাওয়ার পরের এমন পাঁচটি অভ্যাস আলাদা করে বলা হলো, যেগুলো নিয়মিত হলে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
2
6
খাওয়ার পর শরীর সোজা থাকলে মাধ্যাকর্ষণ পাকস্থলীর অ্যাসিডকে নিচে ধরে রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে বা বিছানায় চলে গেলে সেই অ্যাসিড সহজেই খাদ্যনালীতে উঠে আসে। তাই রাতের বেলা বুকজ্বালা বা টক ঢেকুর বেশি হয়।
3
6
অতিরিক্ত খাবার খেলে পাকস্থলীর ভেতরের চাপ হঠাৎ অনেক বেড়ে যায়। এই চাপ খাদ্যনালীর নিচের মুখটাকে ঢিলে করে দেয়, ফলে অ্যাসিড ওপরে উঠে আসে। পেট ভরে না খেয়ে অল্প অল্প করে খাওয়া তাই খুব জরুরি।
4
6
ভাজাভুজি, অতিরিক্ত মশলাদার খাবার, চকলেট, কফি, চা, কোল্ড ড্রিঙ্কস বা মদ এসব খাবার ও পানীয় খাদ্যনালীর পেশিকে শিথিল করে দেয়। ফলে অ্যাসিড সহজেই উঠে এসে জ্বালা ও অস্বস্তি তৈরি করে।
5
6
ধূমপান খাদ্যনালীর নিচের ভালভকে দুর্বল করে এবং মুখে লালার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। লালা স্বাভাবিকভাবে অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। ধূমপান করলে সেই সুরক্ষা নষ্ট হয়, ফলে রিফ্লাক্স আরও বাড়ে।
6
6
অ্যালকোহল পাকস্থলীতে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ায় এবং খাদ্যনালীর মুখকে ঢিলে করে দেয়। এর ফলে অ্যাসিড ওপরে উঠে বুকজ্বালা, বমি বমি ভাব বা গলার জ্বালা তৈরি হয়।