মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির আঁচ লেগেছে ভারতের হেঁশেলে। সংকট দেখা দিয়েছে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের। কলকাতা থেকে জেলা, সব জায়গাতেই অনলাইনে গ্যাস বুকিং নিয়ে চলছে নানা বিভ্রাট। তাই যতদিন সম্ভব গ্যাস বাঁচানোর চেষ্টা করছে মধ্যবিত্ত।
2
10
বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার কিছু অভ্যাস বদলালে গ্যাস অনেকদিন ব্যবহার করা সম্ভব। পাশাপাশি সিলিন্ডার ডেলিভারির সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে প্রতারণা থেকেও বাঁচা যায়।
3
10
গ্যাস সাশ্রয়ের প্রথম উপায় হল রান্নার সময় হাঁড়িতে ঢাকনা ব্যবহার করা। ঢাকনা দিয়ে রান্না করলে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয় এবং কম সময় গ্যাস জ্বালাতে হয়। বিশেষ করে ডাল, ভাত বা সবজি রান্না করার সময় এই অভ্যাস খুব কার্যকর।
4
10
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল প্রেশার কুকার ব্যবহার করা। কুকারে চাপের কারণে খাবার দ্রুত রান্না হয়। এতে সাধারণ হাঁড়ির তুলনায় অনেক কম গ্যাস লাগে। ফলে সিলিন্ডারও বেশি দিন চলে।
5
10
রান্না শুরু করার আগে সব উপকরণ প্রস্তুত করে রাখাও জরুরি। অনেকেই গ্যাস জ্বালিয়ে তারপর সবজি কাটেন বা মশলা তৈরি করেন। এতে অকারণে গ্যাস জ্বলতে থাকে এবং অপচয় হয়। আগে থেকেই সব প্রস্তুতি নিয়ে নিলে রান্নার সময় কম লাগে এবং গ্যাসও বাঁচে।
6
10
এছাড়াও চাল বা ডাল রান্নার আগে কিছুক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখলে তা দ্রুত সেদ্ধ হয়। এতে গ্যাসের ব্যবহার কম হয়। পাশাপাশি হাঁড়ি ও বার্নারের আকার মিলিয়ে ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ। ছোট হাঁড়ি বড় বার্নারে বসালে গ্যাস বেশি খরচ হয়।
7
10
গ্যাস সাশ্রয়ের জন্য বার্নার পরিষ্কার রাখাও দরকার। অনেক সময় বার্নারে ময়লা জমে গেলে আগুন ঠিকভাবে বের হয় না। ফলে রান্না করতে বেশি সময় লাগে এবং গ্যাসও বেশি খরচ হয়।
8
10
এছাড়া এলপিজি সিলিন্ডার ডেলিভারির সময়ও সতর্ক থাকা জরুরি। একটি গৃহস্থালি সিলিন্ডারে সাধারণত ১৪.২ কেজি গ্যাস থাকে। তাই সিলিন্ডার নেওয়ার সময় ডেলিভারি কর্মীর সামনে ওজন পরীক্ষা করা ভাল। ওজন কম মনে হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস এজেন্সিকে জানানো উচিত।
9
10
শুধু সিল দেখে সিলিন্ডার গ্রহণ করা ঠিক নয়। ওজন, সিল এবং ভালভ ঠিক আছে কিনা তা দেখে নেওয়া উচিত।
10
10
সবমিলিয়ে, রান্নার কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে গ্যাসের অপচয় কমানো সম্ভব। একইসঙ্গে সিলিন্ডার নেওয়ার সময় সতর্ক থাকলে ডেলিভারি সংক্রান্ত প্রতারণা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়।