ভয়ের নাম ইবোলা। সংক্রমণ ছড়ানোর হার দেখে বাড়ছে উদ্বেগ।
2
7
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইবোলা সংক্রমণকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে। তার পরেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক বেশ কয়েকটি দেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে দেশের নাগরিকদের।
3
7
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো এবং অন্যান্য আক্রান্ত দেশগুলির পরিবর্তিত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সুপারিশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভারত সরকার দেশের নাগরিককে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে।
4
7
রবিবার এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো এবং উগান্ডায় ইবোলা রোগের প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিধিমালার ২০০৫- এর অধীনে ২০২৬ সালের ১৭ মে পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক একটি জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
5
7
অন্যদিকে, আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে ইবোলা সংক্রমণ নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের দক্ষিণ কিভু প্রদেশে সাম্প্রতিক সংক্রমণের খবর পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। মধ্য আফ্রিকার বেশ কিছু অঞ্চলে ইবোলা পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হিসাবে চিহ্নিত করেছে হু।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমান সংক্রমণটি ইবোলা ভাইরাসের ‘বুন্ডিবুগিও’ প্রজাতির কারণে ছড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত ডিআরসিতে প্রায় ৫০০টি সন্দেহভাজন সংক্রমণের ঘটনা সামনে এসেছে এবং ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ধরনের ইবোলার জন্য এখনও কোনও নির্দিষ্ট টিকা নেই।
6
7
ইবোলা একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি মানুষের শরীরে দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুও ঘটাতে পারে। এই রোগ সাধারণত আক্রান্ত মানুষ বা প্রাণীর শরীরের রক্ত, ঘাম, লালা, বমি বা অন্যান্য শরীরের তরলের সংস্পর্শে এলে ছড়ায়। বিশেষ করে বাদুড়কে এই ভাইরাসের প্রধান বাহক বলে মনে করা হয়। এর আগে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ভয়াবহ ইবোলা ছড়িয়েছিল ‘জায়ার’ নামের একটি স্ট্রেন।
7
7
ভয়াবহতার আশঙ্কা করে আমেরিকা ইবোলা-আক্রান্ত অঞ্চল থেকে আসা যাত্রীদের জন্য কড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে। পাশাপাশি, গত ২১ দিনের মধ্যে উগান্ডা, কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি) বা দক্ষিণ সুদান সফর করেছেন এমন বিদেশি নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।