রাত জেগে ফোন ঘাঁটা, সিরিজ, সিনেমা দেখা, বা কাজের পর সকালে চট করে অনেকেরই ঘুম ভাঙত চায় না। অ্যালার্ম বেজে গেলেও গড়িমসি করে বিছানা ছাড়তে ছাড়তে দেরি হয়েই যায়। আর পরিণাম হিসেবে অফিস পৌঁছতে দেরি হয়। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। অনেকটা বেশি সময় পাওয়া যায়। কিন্তু কিছুতেই সময় মতো চোখ খুলতে চায় না? তাহলে মেনে চলুন এই সহজ ৮ ধাপ। ছবি- সংগৃহীত
2
9
প্রথমত, ঘুমানোর অন্তত ঘণ্টাখানেক আগে ফোন, ল্যাপটপ সহ সমস্ত ডিভাইস বন্ধ করে দিন। স্ক্রিনের আলো মেলাটোনিন উৎপাদনে বাধা দেয়। আর এই হরমোন কিন্তু আমাদের ঘুমের সাইকেল নিয়ন্ত্রণ করে। ছবি- সংগৃহীত
3
9
অ্যালার্মি বা এমন জাতীয় কোনও অ্যাপ ব্যবহার করুন যেখানে আপনার ফোনে ততক্ষণ অ্যালার্ম বাজতে থাকবে যতক্ষণ না সেখানে সেট করে রাখা কোনও কাজ আপনি শেষ করছেন। আর সেই কাজ করতে গিয়ে দেখবেন আপনার ঘুম এমনই ভেঙে গিয়েছে। ছবি- সংগৃহীত
4
9
রাতে ঘুমানোর আগে চকলেট, ক্যাফেন আছে এমন খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। শোয়ার আগে ভুলেও চা, কফি খাবেন না। এতে সহজে ঘুম পেতে চায় না। আর দেরি করে ঘুমালে, স্বাভাবিক ভাবেই সকালে সময় মতো ঘুম ভাঙবে না। ছবি- সংগৃহীত
5
9
এমন কোনও সঙ্গী বানান যিনি সকাল সকাল দৌড়াতে যান বা যোগব্যায়াম করেন। তাহলে তিনি যখন শরীর চর্চা করতে যাবেন আপনাকেও ডেকে দেবে। একজন সঙ্গী থাকলে সেই কাজে আগ্রহ থাকে। ছবি- সংগৃহীত
6
9
ঘুমানোর আগে ধ্যান করুন। বা হালকা কোনও স্ট্রেচিং জাতীয় ব্যায়াম করুন। এতে শরীর রিল্যাক্সড হয়। মস্তিষ্ক শান্ত হয়। মনও। ঘুম দ্রুত আসে। ছবি- সংগৃহীত
7
9
অ্যালার্ম বাজলে সেটা বন্ধ করে পাশ ফিরে শোয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। অ্যালার্ম বাজলে সেটা বন্ধ করে তৎক্ষণাৎ উঠে পড়ুন। একবার এই স্নুজ করার বা অ্যালার্ম বন্ধ করার অভ্যাস রপ্ত করে ফেললে সেটা ছাড়া মুশকিল। ছবি- সংগৃহীত
8
9
সকাল সকাল এমন একটা কিছু করার টার্গেট রাখুন যেটা করতে আপনি ভালবাসেন। এতে আগ্রহ থাকবে সকালে ওঠার। ছবি- সংগৃহীত
9
9
সকাল সকাল উঠে জিম যাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এতে শরীর চর্চা দিয়ে দিনের শুরু হবে। গোটা শরীরে রক্ত চলাচল ভাল হবে। একটা বুস্ট পাবেন সারাদিন পজিটিভ ভাবে কাটানোর। ছবি- সংগৃহীত