সতর্ক হন! আদা ব্যবহারের এই ৫ ভুলেই কমে যায় পুষ্টিগুণ, বাড়ে ক্ষতির ঝুঁকি
নিজস্ব সংবাদদাতা
৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪ : ১৪
শেয়ার করুন
1
8
রান্নার সময় আদার ব্যবহার খুব সাধারণ ব্যাপার। নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর আদা শীতকালে খেলে ঠান্ডাজনিত অসুখ ও সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করা যায়। তবে অনেকেই আদাকে অতিরিক্ত রান্না করে ফেলেন, ফলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। আবার কেউ কেউ শুকনো বা পুরনো আদাও ব্যবহার করেন। জেনে নেওয়া যাক আদা খাওয়া ও ব্যবহারের সঠিক উপায় কী।
2
8
আদায় রয়েছে বহু ঔষধি গুণ, তাই আয়ুর্বেদেও আদার বিশেষ গুরুত্ব আছে। চা, ডাল, স্যুপ, সবজি এমনকি কিছু মিষ্টিতেও আদা ব্যবহার করা যায়। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি হজমে সাহায্য করে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সর্দি-কাশি কমাতে উপকারী।
3
8
তবে অনেকেই আদা ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি জানেন না। এর ফলে আদার সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যগুণ পাওয়া যায় না। খাবারের স্বাদ বাড়াতে গিয়ে আদা ব্যবহারে যে ৫ সাধারণ ভুল হয় এবং কীভাবে সেগুলি ঠিক করবেন, তা জানানো হল।
4
8
সবচেয়ে বড় ভুল হল আদাকে বেশি আঁচে অনেকক্ষণ রান্না করা। আদা খুব বেশি ভাজা হলে বা কালচে হয়ে যাওয়া পর্যন্ত রান্না করলে এর গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। এতে আদার সুগন্ধ ও স্বাস্থ্যগুণ কমে যায়। আদা হালকা ভাজা বা রান্নার মাঝামাঝি সময়ে যোগ করলে এর ঝাঁঝ, সুগন্ধ ও হজমের গুণ বজায় থাকে।
5
8
একবারে বেশি আদা খাওয়া উপকারী নয়। এতে উপকারের বদলে পেটে সমস্যা, অ্যাসিডিটি এবং খাবারের স্বাদ নষ্ট হতে পারে। তাই স্বাদ ও হজম ভাল রাখতে অল্প পরিমাণে আদা ব্যবহার করাই ভাল।
6
8
তাজা আদার তুলনায় পুরনো বা শুকনো আদায় স্বাস্থ্যগুণ অনেক কম থাকে। আদা যত পুরনো হয়, ততই এর আর্দ্রতা, সুগন্ধ ও কার্যকারিতা কমে যায়। তাই ভাল ফল পেতে সবসময় তাজা আদা ব্যবহার করুন এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন।
7
8
অনেকে আদার খোসা খুব ভাল ছাড়ান, এতে আদার বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়। অথচ আদার সবচেয়ে উপকারী ও স্বাদযুক্ত অংশ খোসার কাছেই থাকে। ছুরি ব্যবহার না করে চামচ দিয়ে হালকা করে খোসা ছাড়লে পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।
8
8
আদা দেওয়ার সময় খাবারের স্বাদে বড় পার্থক্য আনে। খুব শুরুতেই দিলে আদার ঝাঁঝ কমে যায়, আবার একেবারে শেষে দিলে স্বাদ অতিরিক্ত তীব্র হতে পারে। তাই আদা হালকা ভেজে নেওয়া বা রান্নার শেষের একটু আগে যোগ করাই সবচেয়ে ভাল।