আসন্ন মিরাট-হরিদ্বার-ঋষিকেশ ‘নমো ভারত’ ট্রেনের হাত ধরে দিল্লি ও তার আশেপাশের রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে এক বিশাল এলাকা।
2
12
প্রস্তাবিত এই রেল রুটটি ইতিমধ্যেই অনুমোদন পেয়ে গিয়েছে। বর্তমানে রুট তৈরির সমীক্ষার কাজও চলছে জোরকদমে। সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের এক বৈঠকে এই প্রকল্পে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়।
3
12
দিল্লি-মিরাট রেল রুটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এখন ‘ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন’ -এর সঙ্গে একযোগে কাজ করছে উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড সরকার।
4
12
মিরাটের মোদিপুরম স্টেশন থেকে এই নতুন পথ শুরু হবে। আনুমানিক ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নতুন রুটের ৭২ কিলোমিটার থাকবে উত্তরপ্রদেশে (মিরাট ও মুজাফফরনগর) এবং বাকি ৭৮ কিলোমিটার পথ থাকবে উত্তরাখণ্ডের রূড়কি ও হরিদ্বার হয়ে ঋষিকেশ পর্যন্ত।
5
12
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ট্রেনটি মোদিপুরম থেকে ছেড়ে দৌরালা, খাতাউলি, মুজাফফরনগর, পুরকাজি, রূড়কি এবং হরিদ্বারের হর কি পৌড়ী হয়ে ঋষিকেশের লক্ষ্মণ ঝুলার কাছাকাছি পৌঁছবে।
6
12
জমি অধিগ্রহণ এবং সমীক্ষার কাজ যাতে দ্রুত শেষ হয়, তার জন্য উত্তরাখণ্ড সরকার অতিরিক্ত সচিব রীনা জোশীকে নোডাল অফিসার নিয়োগ করেছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার ও এনসিআরটিসি-র তরফেও সমন্বয় আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে।
7
12
এই নতুন রুটটি মিরাটের মোদিপুরম স্টেশনের মাধ্যমে সরাসরি দিল্লি-মিরাট রুটের সঙ্গে যুক্ত হবে। ফলে গাজিয়াবাদ, আনন্দ বিহার এবং সরাই কালে খাঁ-র মতো স্টেশনগুলির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে। নয়ডা ও গাজিয়াবাদের বাসিন্দারাও এর ফলে সরাসরি ঋষিকেশ যাতায়াত করতে পারবেন।
8
12
দিল্লির সরাই কালে খাঁ স্টেশনটি বড় সংযোগকারী কেন্দ্র হতে চলেছে। এখান থেকে দিল্লি-গুরুগ্রাম-আলওয়ার রুটের ট্রেনও পাওয়া যাবে।
9
12
একইভাবে, সরাই কালে খাঁ বা হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশন ব্যবহার করে উত্তরাখণ্ডের যাত্রীরা হরিয়ানার সোনিপত ও পানিপথ রুটের ট্রেনেও উঠতে পারবেন।
10
12
অন্যদিকে, গাজিয়াবাদ স্টেশন ব্যবহার করে হরিদ্বার ও ঋষিকেশের যাত্রীরা সরাসরি নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছতে পারবেন।
11
12
এর পাশাপাশি আনন্দ বিহার স্টেশন থেকে যাত্রীরা সহজেই দিল্লি মেট্রোর ব্লু ও পিঙ্ক লাইন এবং আনন্দ বিহার বাস ও রেল টার্মিনাল ব্যবহার করতে পারবেন।
12
12
এই নতুন রেল নেটওয়ার্কের ফলে উত্তরাখণ্ডের ধর্মীয় ও পর্যটনস্থলগুলি সরাসরি দিল্লি, এনসিআর এবং জেওয়ার বিমানবন্দরের সঙ্গে জুড়ে যাবে।