চলছে চৈত্র নবরাত্রি। ২৪ মার্চ বাসন্তী পুজোর ষষ্ঠী। এই তিথিতে দেবী কাত্যায়নীর পুজোয় করুন বিশেষ টোটকা, তৈরি হবে বিয়ের যোগ। ছবি- সংগৃহীত
2
9
বিয়েতে বারবার বাধা পড়ছে? কিংবা কথা এগিয়েও কোনও না কোনও কারণে সেটা ভেস্তে যাচ্ছে? এই টোটকা করলে শেষ হবে সমস্ত সমস্যা। সংগৃহীত
3
9
এই টোটকার জন্য চৈত্র নবরাত্রির ষষ্ঠ দিন অর্থাৎ ২৪ মার্চ একটি লাল রঙের ওড়না নিন। এতে এক টুকরো কাঁচা হলুদ এবং একটি রুপোর কয়েন রাখুন। এবার এটিকে অর্পণ করে দিন দেবীর চরণে। সংগৃহীত
4
9
এবার দেবীর সামনে বসে দুর্গা সপ্তসতীর চতুর্থ অধ্যায় পাঠ করুন। তারপর যে লাল ওড়না দেবীকে অর্পণ করেছিলেন সেটা তুলে নিয়ে নিজের শোয়ার ঘরে রেখে দিন। সংগৃহীত
5
9
জলদি বিয়ে হোক চাইলে এদিন লাল বস্ত্র পরুন। আপনার বয়স যত ততগুলো লবঙ্গ দেবীকে অর্পণ করুন। তারপর ওম দুর্গায় নমঃ মন্ত্র ১০৮ বার জপ করুন। দেবীর কাছে বিয়ের জন্য মন থেকে প্রার্থনা করুন। মনে করা হয় এতে বিয়েতে আসা সমস্ত বাধা দূর হয়। সংগৃহীত
6
9
সব কিছু ঠিক থাকার পরেও কোনও না কোনও কারণে সম্বন্ধ ভেঙে যাচ্ছে? নবরাত্রির কদিন রোজ রাতে বাড়ির উত্ত পূর্ব দিকে এক বাটি গোলমরিচ রেখে দিন। পরদিন সেটিকে কাছের কোনও নদীতে ভাসিয়ে দিন। অথবা বট গাছের নিচে রেখে দিন। এতে বিয়েতে আসা বাধা দূর হবে। সংগৃহীত
7
9
অর্থনৈতিক কারণে বিয়েতে বাধা আসছে? তাহলে ষষ্ঠীর দিন মন্দিরে গিয়ে দেবীকে লাল ওড়না অর্পণ করুন। এবং গরিব শিশু কন্যাদের ভোজন করান। সংগৃহীত
8
9
লাভ ম্যারেজে বাধা? বাড়ির লোক মানছে না? তাহলে নবরাত্রির সময় বজরংবলীকে পান অর্পণ করুন। এবং দেবীকে মনের ইচ্ছের কথা জানান। সংগৃহীত
9
9
ষষ্ঠীর দিন অবশ্যই দেবী কাত্যায়নীর পুজো করুন। এতে বিয়েতে আসা যে কোনও রকমের বাধা, বিপত্তি দূর হবে। শীঘ্রই ফুটবে বিয়ের ফুল। সংগৃহীত