শুক্রবার দিনের শুরুতেই জোরালো গ্যাপ-আপ ওপেনিং হয়। ৩,৪০০-তে দিনের লেনদেন শুরু করার পর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই শেয়ারটির দাম পৌঁছে যায় ৩,৪৭৪-এ। যদিও পরবর্তী সময়ে কিছুটা প্রফিট বুকিং দেখা যায়।
3
11
সকাল ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ BSE-এর শেয়ারদর প্রায় ৩,৪৩৭-এ ঘোরাফেরা করছিল। অর্থাৎ দিনের শুরু থেকেই প্রায় ৪ শতাংশের কাছাকাছি লাভে ছিল শেয়ারটি।
4
11
এর আগে পরপর দুই সেশনেই BSE-এর শেয়ারে উল্লেখযোগ্য উত্থান হয়েছে। গত দুই সেশনে শেয়ারটির দাম ৩,১৬৮ থেকে বেড়ে ৩,৪৭৪-এ পৌঁছেছে।
5
11
অর্থাৎ মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে BSE-এর শেয়ারদর। এই দ্রুত উত্থানের জেরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
6
11
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, BSE-এর ডেরিভেটিভ সেটেলমেন্ট প্রাইস পর্যালোচনার বিষয়ে সেবির বক্তব্যই সাম্প্রতিক উত্থানের অন্যতম বড় কারণ। বাজারে এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
7
11
বিশেষ করে নতুন চালু হওয়া ক্লোজিং অকশন সেশনকে ঘিরে যে ভোলাটিলিটি এবং প্রাইসিং সংক্রান্ত প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল, সেই বিষয়গুলিতে পর্যালোচনার সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
8
11
মার্কেট বিশেষজ্ঞদের মতে, BSE-এর ডেরিভেটিভ সেটেলমেন্ট প্রাইস পর্যালোচনার বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই শেয়ারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। সিএএস চালুর পর বাজারের অস্থিরতা এবং প্রাইসিং সংক্রান্ত যে সমস্যা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল, তার সমাধানের সম্ভাবনাকে বাজার ভালোভাবে নিয়েছে।
9
11
প্রযুক্তিগত চার্ট বিশ্লেষণ করেও BSE-এর শেয়ারে ইতিবাচক সংকেত মিলছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। BSE-এর শেয়ার বর্তমানে আপট্রেন্ডে রয়েছে। নিকট ভবিষ্যতে শেয়ারটির দাম ৩,৬০০ থেকে ৩,৭০০-এর স্তরে পৌঁছতে পারে।
10
11
বর্তমান BSE শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার ধরে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নতুন বিনিয়োগকারীরাও ৩,৩০০-এর স্টপ-লস বজায় রেখে BSE-এর শেয়ারে ‘বাই অ্যান্ড হোল্ড’ কৌশল নিতে পারেন।
11
11
অর্থাৎ, টানা দু’দিনের প্রায় ১০ শতাংশ উত্থানের পরেও বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে BSE-এর শেয়ারে আরও ঊর্ধ্বমুখী সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাজারে দ্রুত ওঠানামার সম্ভাবনা থাকায় বিনিয়োগের আগে ঝুঁকি, নিজের আর্থিক পরিস্থিতি এবং বিনিয়োগের লক্ষ্য বিবেচনা করা জরুরি।