দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আড়াই মাসেরও বেশি সময় ধরে পরিষেবা বন্ধ থাকার পর ফের চালু হল জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্রের পোর্টাল।
2
9
পুরনো নথি থেকে জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল কপি পাওয়ার প্রক্রিয়াও আবার শুরু হয়েছে। নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ ছিল পোর্টাল।
3
9
পরিষেবা বন্ধ থাকার সময় কলকাতা পুরসভায় পুরনো জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্রের জন্য বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। পোর্টাল বন্ধ থাকায় কোনও প্রক্রিয়াই এগোয়নি।
4
9
জন্ম শংসাপত্র স্কুল বা কলেজে ভর্তি, পাসপোর্ট, বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা গ্রহণ এবং একাধিক পরীক্ষার ক্ষেত্রেও বয়স ও জন্মতারিখের প্রমাণ হিসেবে এই নথি চাওয়া হয়।
5
9
পোর্টাল ফের চালু হওয়ায় যাবতীয় সমস্যা এবার ধীরে ধীরে মিটবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় পোর্টালটি শুধু কলকাতা পুরসভা অন্তর্গত এলাকায় চালু হয়েছে।
6
9
জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে রাজ্যের অন্যান্য এলাকাতেও কেন্দ্রীয় পোর্টালের পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে জাল রুখতে কড়া অভিযান চালাবে রাজ্য।
7
9
কীভাবে চলবে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া? মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, “যত তথ্য আছে, সব স্ক্যান করে পরীক্ষা করব। আমরা সব স্ক্যান করে নেব। কোনও ভয়ের ব্যাপার নেই।
8
9
তিনি আরও জানিয়েছেন, যত বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে, সব পরীক্ষা করা হবে। আমরা পরিষ্কার, স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন বার্থ ও ডেথ সার্টিফিকেট প্রদান করব। গন্ডগোল পাওয়া গেলে জেলাশাসক স্তরে সেটার ভেরিফিকেশন করা হবে। কাউকে ছাড়া হবে না।
9
9
কেন্দ্রীয় পোর্টাল ফের চালু হওয়ায় এবার পুরনো জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত নথির কাজও এগোনোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কয়েক হাজার আবেদনের নিষ্পত্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।