সেই কালজয়ী ছবি ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’-র ‘সুমন’-কে আজও ভোলেনি দর্শক। স্নিগ্ধতা আর শালীনতার প্রতীক হিসেবেই বলিপাড়ায় পরিচিত ভাগ্যশ্রী।
2
10
সাম্প্রতিককালে বদলে যাওয়া প্রেক্ষাপট এবং পর্দায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী।
3
10
তাঁর মতে, বর্তমান সময়ের অনেক ছবিতেই ঘনিষ্ঠতা বা নগ্নতাকে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে, তা অনেক সময় দর্শকদের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
4
10
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভাগ্যশ্রী জানান, আগেকার দিনেও পর্দায় প্রেম বা রোম্যান্স দেখানো হত, কিন্তু তার মধ্যে একটা শৈল্পিক ছোঁয়া থাকত।
5
10
এখনকার ছবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আজকাল অনেক সিনেমা বা ওয়েব সিরিজে এমন সব দৃশ্য রাখা হয় যা আদতে গল্পের প্রয়োজনে নয়, বরং শুধুমাত্র উত্তেজনা তৈরির জন্য। এই ধরনের দৃশ্য পরিবার নিয়ে দেখা তো দূরের কথা, একা দেখতেও অনেক সময় অস্বস্তি হয়।"
6
10
ভাগ্যশ্রীর দাবি, পরিচালক ও নির্মাতারা মনে করেন যে পর্দায় শরীরী প্রদর্শন বা সাহসী দৃশ্য রাখলেই হয়তো ছবি সফল হবে। কিন্তু অভিনেত্রী এই ধারণার ঘোর বিরোধী।
7
10
ভাগ্যশ্রী বলেন, “সিনেমা হল সমাজের প্রতিফলন। নব্বইয়ের দশকে বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম ছিল সিনেমা; পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে সময় কাটানোর এটিই ছিল একমাত্র সুযোগ।"
8
10
তাঁর কথায়, "আজকের দিনে পরিবারগুলো ছোট হয়ে গিয়েছে, মানুষ অনেক বেশি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে এবং সৃজনশীল শিল্পের মাধ্যমও এখন অনেক। ফলে মানুষের কাছে এখন পছন্দের তালিকাও বেশ দীর্ঘ।”
9
10
তিনি আরও যোগ করেন, “তবে বর্তমান সময়ে সব ধরনের দর্শককে খুশি করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলচ্চিত্র এখন নানা ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে।"
10
10
অভিনেত্রীর কথায়, "আমার মনে হয়, বর্তমানে বাস্তবধর্মী গল্পের চাহিদা থাকলেও এমন কোনও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য দেখানো উচিত নয়, যা বাবা-মা বা সন্তানদের সঙ্গে বসে দেখার সময় আমাদের অস্বস্তিতে ফেলে। সমাজকে অবজ্ঞা না করেও সাহসী, বৈচিত্র্যময় এবং আকর্ষণীয় গল্প বলা সম্ভব।”