গরম পড়তেই খাবার নিয়ে সমস্যা শুরু হয় অনেকের। ভারী বা বেশি মশলাদার খাবার খেতে ইচ্ছে করে না। এই সময় শরীর ভাল রাখতে হালকা, সহজপাচ্য এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া খুব জরুরি।
2
12
বাঙালিদের রোজকার খাবারে ডাল এমন একটি পদ, যা স্বাদ ও পুষ্টি— দুই দিক থেকেই খুব উপকারী। ভাতের সঙ্গে এক বাটি গরম ডাল মানেই আরামদায়ক খাবার। গরমের দিনে তাই রোজের মেনুতে রাখতে পারেন কয়েক ধরনের বাঙালি ডালের পদ।
প্রথমে মুসুর ডাল সেদ্ধ করে নিতে হয়। তারপর কাঁচা আম টুকরো করে ডালের মধ্যে দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। শেষে শুকনো লঙ্কা, পাঁচফোড়ন আর সর্ষের তেলের ফোড়ন দিলে ডালের স্বাদ আরও বেড়ে যায়। এই ডালের হালকা টক স্বাদ গরমে খেতে খুব ভাল লাগে। কাঁচা আম শরীর ঠান্ডা রাখতেও সাহায্য করে।
5
12
ভাজা মুগ ডালঃ মুগ ডাল বাঙালিদের খুব পরিচিত একটি পদ। রান্নার আগে ডাল হালকা ভেজে নিলে সুন্দর গন্ধ বের হয়।
6
12
আদা বাটা, কাঁচালঙ্কা আর সামান্য হলুদ দিয়ে ডাল রান্না করা হয়। অনেকেই এতে নারকেলের কুচি বা ভাজা বড়ি দেন। কেউ কেউ শেষে একটু ঘি মিশিয়েও খান। এই ডাল খুব হালকা হওয়ায় গরমের দিনে সহজে হজম হয়। অসুস্থ শরীরেও এই ডাল খেতে দেওয়া হয়।
7
12
ছোলার ডালঃ ছোলার ডাল সাধারণত অনুষ্ঠান বা বিশেষ দিনের রান্না হিসেবে বেশি পরিচিত। তবে গরমের দিনেও এটি খাওয়া যেতে পারে।
8
12
ছোলার ডালে নারকেল কুচি, তেজপাতা, দারচিনি, এলাচ আর সামান্য মিষ্টি স্বাদ দেওয়া হলে একেবারে বাঙালি ঘরানার স্বাদ পাওয়া যায়। এটি প্রোটিনে ভরপুর, তাই শরীরের শক্তি বজায় রাখতেও সাহায্য করে। ভাত, লুচি বা রুটির সঙ্গে এই ডাল খেতে দারুণ লাগে।
9
12
টক ডালঃ গরমের দুপুরে টক ডালের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। তেঁতুল, কাঁচা আম বা পাতিলেবুর রস দিয়ে এই ডাল তৈরি করা যায়।
10
12
সাধারণ মুসুর বা মুগ ডালের মধ্যেই টক স্বাদ যোগ করা হয়। ফোড়নে শুকনো লঙ্কা, সর্ষে বা কারিপাতা ব্যবহার করলে স্বাদ আরও বাড়ে। গরমে এই ডাল শরীরকে সতেজ রাখে এবং খেতেও খুব আরাম লাগে।
11
12
গরমের দিনে রোজ একই ধরনের খাবার খেতে অনেকেরই ভাল লাগে না। তাই সাধারণ ডালেই একটু বদল এনে নতুন স্বাদ তৈরি করে নিতে পারেন।
12
12
এই চার ধরনের বাঙালি ডাল শুধু সুস্বাদুই নয়, শরীরের জন্যও খুব উপকারী। পরিবারের ছোট থেকে বড়, সকলেরই পছন্দ হবে এই পদগুলি।