বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়, জন্মছকে গ্রহের অবস্থান মানুষের জীবন, কর্ম, স্বাস্থ্য, অর্থ ও সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলে। অনেকেই মনে করেন, কোনও গ্রহ দুর্বল বা অশুভ অবস্থানে থাকলে জীবনে নানা বাধা-বিপত্তি দেখা দিতে পারে।
2
11
জ্যোতিষশাস্ত্রে এমন কিছু সহজ প্রতিকারের কথা বলা হয়েছে, যা নিয়মিত পালন করলে সংশ্লিষ্ট গ্রহের শুভ প্রভাব বাড়তে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। দেখে নিন কোন গ্রহের জন্য কী প্রতিকার বলা হয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্রে?
3
11
সূর্য (Surya): আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের ক্ষমতা ও প্রাণশক্তির প্রতীক সূর্য। জ্যোতিষমতে, প্রতিদিন সকালে উদীয়মান সূর্যকে অর্ঘ্য (জল) নিবেদন করলে সূর্যদেবের আশীর্বাদ লাভ হয় এবং আত্মবিশ্বাস ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস।
4
11
চন্দ্র (Chandra): চন্দ্র মন, আবেগ ও মানসিক স্থিতির সঙ্গে যুক্ত। শিবলিঙ্গে দুধ নিবেদন করলে মানসিক অস্থিরতা কমে, আবেগের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং মনে শান্তি আসে বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।
5
11
বৃহস্পতি (Guru): সৌভাগ্য, জ্ঞান ও ইতিবাচক শক্তির কারক বৃহস্পতি। প্রতিদিন কপালে কেশরের তিলক পরলে শুভফল, ইতিবাচক শক্তি এবং ভাগ্যের উন্নতি হতে পারে বলে প্রচলিত বিশ্বাস।
6
11
শুক্র (Shukra): সৌন্দর্য, প্রেম ও বিলাসিতার প্রতীক শুক্র। কিশোরী বা তরুণীদের প্রসাধনী সামগ্রী উপহার বা দান করলে শুক্রের আশীর্বাদ লাভ হয় এবং ভাগ্যোন্নতি ঘটতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
7
11
রাহু ( Rahu): রাহুর অশুভ প্রভাব কমাতে শনিবার গরিব বা অভাবী মানুষদের চা বা ঠান্ডা পানীয় বিতরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে রাহুর নেতিবাচক প্রভাব প্রশমিত হতে পারে বলে মনে করা হয়।
8
11
কেতু (Ketu): কেতুর অশুভ প্রভাব কমাতে প্রতিদিন পথকুকুরকে খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। জ্যোতিষমতে, এই প্রতিকার নেতিবাচক শক্তি কমিয়ে সৌভাগ্য বৃদ্ধি করতে সহায়ক হতে পারে।
9
11
শনি (Shani): কর্মফল ও ন্যায়বিচারের গ্রহ শনি। নিয়মিত কাককে খাবার খাওয়ালে শনির কৃপা লাভ হয় এবং জীবনের বাধা-বিপত্তি কমে নতুন সুযোগ আসতে পারে বলে প্রচলিত বিশ্বাস।
10
11
মঙ্গল (Mangal):
সাহস, শক্তি ও উদ্যমের প্রতীক মঙ্গল। প্রতি ছয় মাস অন্তর রক্তদান করলে মঙ্গলের অশুভ প্রভাব কমতে পারে এবং শুভফল লাভের সম্ভাবনা বাড়ে বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।
11
11
বুধ (Budh): বুদ্ধি, শিক্ষা ও যোগাযোগের কারক বুধ। ছোট শিশুদের পোশাক বা খেলনা দান করলে বুধের শুভ প্রভাব বৃদ্ধি পায় এবং বুধ-সংক্রান্ত সমস্যা দূর হতে পারে বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়েছে।