ভারতের বাজারে প্রতিদিন ধরেই মিউচুয়াল ফান্ডের চাহিদা বাড়ছে। এখানে যে হারে সুদ দেওয়া হয় সেটা কোনও ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিস দিতে পারে না।
2
9
এএমএফআই-এর সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে মিউচুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগ ছিল ৩১ হাজার ২ কোটি টাকা। এই সংখ্যাটি নভেম্বরে ছিল ২৯ হাজার ৪৪৫ টাকা।
3
9
পাল্লা দিয়ে বেড়েছ এসআইপি-র হারও। সেখানেও দেখা গিয়েছে ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭ শতাংশ। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এটি ছিল ২৬ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা। সেখান থেকে বিরাট উত্থান হয়েছে।
4
9
তবে খানিকটা নিচের দিকে নেমেছে ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ড। এখানে নিচের দিকে এসেছে ৬ শতাংশ। এখানে টাকার অঙ্ক রয়েছে ২৮ হাজার ৫৪ কোটি। এটি বিগত বছরের ডিসেম্বর মাসের হিসেব অনুসারে রয়েছে।
5
9
দেশের প্রধান ১১ টি ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৯ টি তেই নিম্নগতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। সেখানে দেশের অন্য খাতের তুলনায় টাকার অঙ্ক কমেছে অনেকটাই।
6
9
সেদিক থেকে খানিকটা আশা জাগিয়েছে সেক্টরল ফান্ড। একানে ৪৯ শতাংশ পতন লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিগত বছরের ডিসেম্বর মাসে এখানে ৯৪৫ কোটি টাকা নিচের দিকে গিয়েছে।
7
9
স্মল ফান্ডগুলির ক্ষেত্রে ১৩ শতাংশ হারে নিচের দিকে ক্ষতি দেখা গিয়েছে। সেখানে ৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ডিভিডেন্টের ক্ষেত্রেও সেখানে বিরাট প্রভাব পড়েছে।
8
9
যেভাবে দেশের অর্থনীতির পরিস্থিতি রয়েছে সেখান থেকে বছরের শুরু থেকে ফের জোয়ার আসবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেখানে বাড়তি সমস্যা তৈরি করতে পারে ছোটো ফান্ডগুলি।
9
9
ভারতের মত জনবহুল দেশে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ বাড়ছে সেটি একটি সুখের খবর। তবে শেয়ার বাজারে স্থিরতা থাকে তাহলে সেটি মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে আরও বড় ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।