কাগজের বার্থ সার্টিফিকেট নয়, কেন এখনই সব পরিবারের ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্র করা জরুরি? ছোট্ট ভুলে হতে পারে বড় ভোগান্তি!
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৫ জুলাই ২০২৬ ১৩ : ০১
শেয়ার করুন
1
12
এখন প্রায় সব সরকারি পরিষেবা ধীরে ধীরে ডিজিটাল হচ্ছে। আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার আইডি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি নথি এখন অনলাইনেই পাওয়া যায়। এই পরিস্থিতিতে ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট বা ডিজিটাল জন্মসনদের গুরুত্বও অনেক বেড়ে গিয়েছে।
2
12
বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনে এই নথি আরও বেশি প্রয়োজনীয় হয়ে উঠবে। তাই পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের ডিজিটাল বার্থসার্টিফিকেট তৈরি করে রাখা শ্রেয়।
3
12
ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট হল জন্মসনদের একটি সরকারি ডিজিটাল রেকর্ড। অর্থাৎ আপনার জন্মসংক্রান্ত তথ্য সরকারি ডেটাবেসে নিরাপদে সংরক্ষিত থাকে। প্রয়োজন হলে অনলাইনে সেটি যাচাই করা বা ডাউনলোড করা যায়। এতে কাগজের নথি হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না।
4
12
বর্তমানে শিশুর স্কুলে ভর্তি, আধার কার্ড তৈরি, পাসপোর্টের আবেদন, সরকারি বৃত্তি, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নেওয়া, এমনকি অনেক চাকরির আবেদনেও বার্থ সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। যদি ডিজিটাল রেকর্ড আগে থেকেই থাকে, তাহলে এসব কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।
5
12
ডিজিটাল বার্থ সার্টিফেকেটের আরেকটি বড় সুবিধা হল, এটি সহজে যাচাই করা যায়। সরকারি দফতর বা অন্য কোনও সংস্থা অনলাইনে নথির সত্যতা পরীক্ষা করতে পারে। ফলে জাল নথি ব্যবহার বা ভুল তথ্য দেওয়ার সম্ভাবনাও অনেক কমে যায়।
6
12
অনেক পরিবার এখনও শুধু কাগজের বার্থসার্টিফিকেট যত্ন করে রেখে দেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে কাগজ নষ্ট হয়ে যেতে পারে, হারিয়ে যেতে পারে বা ছিঁড়েও যেতে পারে। তখন নতুন করে জন্মসনদ তুলতে অনেক ঝামেলা হয়। কিন্তু ডিজিটাল রেকর্ড থাকলে প্রয়োজনের সময় সহজেই নতুন কপি পাওয়া সম্ভব।
7
12
যদি এখনও আপনার বা পরিবারের কারও ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট তৈরি না হয়ে থাকে, তাহলে স্থানীয় পুরসভা, পুরসভা, গ্রাম পঞ্চায়েত বা জন্ম-মৃত্যু নথিভুক্তকরণ দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
8
12
অনেক রাজ্যে আবার সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনেও আবেদন, সংশোধন এবং সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার সুবিধা রয়েছে।
9
12
বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনে সরকারি পরিষেবার সঙ্গে ডিজিটাল নথির ব্যবহার আরও বাড়বে। তাই জন্মসনদের তথ্য সঠিক আছে কিনা, সেটিও একবার মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।
10
12
নাম, জন্মতারিখ বা বাবা-মায়ের নামের ভুল থাকলে যত দ্রুত সম্ভব সংশোধন করিয়ে নেওয়াই ভাল।
11
12
মোট কথা, ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং একটি প্রয়োজনীয় সরকারি নথি।
12
12
ভবিষ্যতে যাতে স্কুল, কলেজ, চাকরি, পাসপোর্ট বা অন্য কোনও সরকারি কাজে অযথা সমস্যায় পড়তে না হয়, তাই এখন থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরি করে নিরাপদে সংরক্ষণ করে রাখা উচিত।