এবার জন্ম এবং মৃত্যু শংসাপত্র নিয়ে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, বার্থ এবং ডেথ সার্টিফিকেটের রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে আমূল বদল আসতে চলেছে।
2
9
রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি জেলার জেলাশাসক সেই জেলার ডিস্ট্রিক্ট রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এর ফলে জেলা স্তরে তদারকি ও প্রশাসনিক সমন্বয় আরও শক্তিশালী হবে।
3
9
স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গ্রামীণ হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজে জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র রেজিস্ট্রেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্লক মেডিক্যাল অফিসার অফ হেলথ (BMOH), হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট এবং মেডিক্যাল কলেজের প্রধানদের।
4
9
সরকারের আশা, হাসপাতালভিত্তিক রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা আরও দ্রুত, নির্ভুল এবং সুশৃঙ্খল হবে। এতে জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত তথ্য নথিভুক্তিকরণেও বাড়বে স্বচ্ছতা।
5
9
প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পুরসভায় জন্ম ও মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্দিষ্ট সরকারি আধিকারিক নিয়োগ করা হবে। তাঁরাই রেজিস্ট্রেশন, যাচাই এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।
6
9
নতুন ব্যবস্থায় পরিষেবায় সমন্বয় বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের একাধিক দপ্তরে ঘোরার প্রয়োজন কমবে। দ্রুত পরিষেবা পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে।
7
9
এই পদক্ষেপের ফলে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং পুরসভার চেয়ারম্যান বা এক্সিকিউটিভ অফিসারদের জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রেশনের রেজিস্ট্রার ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
8
9
সরকারের মতে, নতুন ব্যবস্থায় রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আরও নির্ভরযোগ্য হবে। ডিজিটাল সার্টিফিকেটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে নাগরিকদের আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ পরিষেবা দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।
9
9
কী লাভ হবে সাধারণ মানুষের? সরকারের এই পদক্ষেপে দ্রুত জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র, নির্ভুল তথ্য নথিভুক্তিকরণ, কম জটিলতায় পড়তে হবে আমজনতাকে।