দেশের কোটি কোটি ব্যাঙ্ক গ্রাহকের জন্য বড় সুখবর। খুব শীঘ্রই সেন্ট্রাল নো ইয়োর কাস্টমার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকরভাবে চালু করতে চলেছে কেন্দ্র। এর ফলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ, ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট খোলা কিংবা বিমা কেনার সময় আর বারবার একই KYC নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
2
9
একবার CKYC সম্পন্ন করলেই একটি ১৪ সংখ্যার CKYC নম্বর পাওয়া যাবে, যা ভবিষ্যতে বিভিন্ন আর্থিক পরিষেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে।
3
9
বর্তমানে নতুন কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, মিউচুয়াল ফান্ড বা বীমা পলিসি নিতে গেলে গ্রাহকদের বারবার আধার, প্যান, ভোটার কার্ড, ঠিকানার প্রমাণ-সহ একাধিক নথি জমা দিতে হয়। নতুন CKYC ব্যবস্থার ফলে এই ঝামেলা অনেকটাই কমে যাবে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী, একবার কেন্দ্রীয় KYC সম্পন্ন হলে গ্রাহকের সমস্ত তথ্য কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে সংরক্ষিত থাকবে এবং সেই তথ্যই ভবিষ্যতে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যবহার করা যাবে।
4
9
CKYC হল এমন একটি কেন্দ্রীয় KYC ব্যবস্থা, যা ভারত সরকার এবং বিভিন্ন আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেমন RBI, SEBI, IRDAI-এর উদ্যোগে চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি প্রথমবার KYC সম্পন্ন করলে তাঁর সমস্ত পরিচয় ও ঠিকানার তথ্য কেন্দ্রীয় KYC রেজিস্ট্রিতে সংরক্ষিত হয়।
5
9
পরবর্তীতে অন্য কোনও ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে নতুন করে KYC করার প্রয়োজন পড়ে না। শুধু CKYC নম্বর ব্যবহার করেই গ্রাহকের পরিচয় যাচাই করা সম্ভব হয়।
6
9
CKYC সম্পন্ন হওয়ার পর প্রত্যেক গ্রাহক একটি ১৪ অঙ্কের ইউনিক CKYC নম্বর পান। এই নম্বরটি ভবিষ্যতের সমস্ত আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি থাকলে নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট, মিউচুয়াল ফান্ড বা বিমা কেনার সময় বারবার প্যান, আধার বা ভোটার কার্ডের কপি জমা দিতে হয় না। কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে সংরক্ষিত তথ্যের ভিত্তিতেই KYC যাচাই সম্পন্ন করা যায়।
7
9
আপনি যদি ইতিমধ্যেই CKYC সম্পন্ন করে থাকেন, তাহলে নিজের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর থেকে 7799022129 নম্বরে একটি মিসড কল দিলেই এসএমএসের মাধ্যমে ১৪ সংখ্যার CKYC নম্বর পেয়ে যাবেন।
8
9
এছাড়াও, যে ব্যাঙ্ক, ডিম্যাট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা বা অন্য কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে CKYC করিয়েছেন, তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে CKYC নম্বর জেনে নেওয়া সম্ভব।
9
9
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন ব্যবস্থা চালু হলে KYC প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, সহজ এবং কাগজপত্রবিহীন হবে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের সময় বাঁচবে এবং বিভিন্ন আর্থিক পরিষেবা গ্রহণও অনেক বেশি সুবিধাজনক হয়ে উঠবে।