ঘর ভাঙার বছর ঘোরার আগেই নতুন করে মন ভাঙল ভারতীয় ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহালের? তেমনই অনুমান করছে নেটপাড়া। কিন্তু কেন? এতদিন যে আরজে মাহভাশের সঙ্গেই সর্বত্র দেখা যেত যুজবেন্দ্রকে, সেই চর্চিত প্রেমিকাকেই ইনস্টাগ্রামে আনফলো করে দিয়েছেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার! 

২০২০ সালে ধনশ্রী ভার্মাকে বিয়ে করেন যুজবেন্দ্র চাহাল। করোনা মহামারীর সময় ধনশ্রীর কাছে নাচ শিখতে গিয়ে মন দিয়ে ফেলেন তিনি। তারপরই তড়িঘড়ি সাতপাকে বাঁধা পড়েন। এরপর কিছু বছর কাটতে না কাটতেই শুরু হয় তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদের জল্পনা। সেই জল্পনায় সিলমোহর দিয়ে ২০২৫ সালের গোড়ার দিকে বিবাহিত সম্পর্কে ইতি টানেন যুজবেন্দ্র চাহাল এবং ধনশ্রী ভার্মা। এর পরপরই ক্রিকেটারের নাম জুড়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার আরজে মাহভাশের সঙ্গে। তাঁদের আকছার নানা জায়গায় একসঙ্গে দেখা যেতে থাকে। 

২০২৫ সালের আইপিএলের সময় যুজির সঙ্গে তো তাঁদের টিম বাসে পর্যন্ত উঠতে দেখা গিয়েছে আরজে মাহভাশকে। দু'জনে একসঙ্গে বিমানবন্দর থেকে বেরোতেন, হেঁটে বাসের কাছে আসতেন। এমনকী মাঠে বসেও যুজি এবং তাঁর দলের জন্য গলা ফাটিয়েছেন মাহভাশ। সেই থেকেই শুরু হয় তাঁদের প্রেমের জল্পনা। যদিও যুজবেন্দ্র বা মাহভাশ, কেউই কখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে তাঁদের সম্পর্ককে স্বীকার করেননি। কিন্তু এসব জল্পনাকে কি আর অত সহজে থামানো যায়? কিন্তু একি! বছর ঘুরতেই বদলে গেল ছবিটা? 

যুজবেন্দ্র চাহাল মাসখানেক আগেই জানিয়েছিলেন যে তিনি মোটেই কাউকে ডেট করছেন না। তিনি আদ্যোপান্ত সিঙ্গল। এবার সেই কথাকে সত্যি প্রমাণ করল তাঁর একটি কাজ। ইনস্টাগ্রামে একে অন্যকে আনফলো করে দিয়েছেন যুজবেন্দ্র এবং আরজে মাহভাশ। 

তবে এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, ২০২৫ সালের শেষ দিকে একটি পডকাস্ট শোতে এসে যুজবেন্দ্র জানিয়েছিলেন জোর করে নেটিজেন এবং ছবি শিকারীরা তাঁর নাম একজনের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন। আদতে তাঁরা বন্ধু, এবং তিনি একাধিক বন্ধুর সঙ্গেই বেরোতেন, কিন্তু চর্চা হয় কেবল একজনকে নিয়ে। তিনি এও স্পষ্ট করে দেন, তিনি সিঙ্গল। তবে কে কী ভাবল সেটা নিয়ে তিনি ভাবিত নন। 

পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবনে ইতি টানার পর নতুন করে প্রেমে পড়তে সময় লাগবে বলেই জানিয়েছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। এত তাড়াতাড়ি তিনি কোনও সম্পর্কে জড়াবেন না। তিনি আপাতত নিজেকে নিয়ে কাজ করতে চান, নিজের উন্নতিতে ফোকাস করতে চান বলেই জানিয়েছিলেন। এবার সেই কথাকে সিলমোহর দিয়ে আরজে মাহভাশের সঙ্গে প্রেমের জল্পনায় ইতি টানলেন।