উদয়পুরে রাজকীয়ভাবে বিয়ে করেছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মান্দানা৷ ৪ মার্চ হায়দরাবাদে বিয়ের প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে উদযপান৷ এর মধ্যেই বিজয়ের এক ছোট্ট অনুরাগী প্রশ্ন করেছেন ভিডিয়োর মাধ্যমে৷ খুদে অনুরাগী সমাজমাধ্যমে একটা ভিডিয়ো শেয়ার করেছে৷ ছোট্ট অনুরাগীর সরল প্রশ্ন: কেন তাকে বিজয়-রশ্মিকা বিয়েতে নিমন্ত্রণ করেননি? ভিডিয়োটি শিশুটি বলছেন,  "আমি তোমার অনুরাগী নই? আমাদের জন্য কী ভেবেছ?" 

বিজয়-রশ্মিকার বিয়েতে আত্মীয় পরিজন বন্ধু অর্থাৎ খুব ঘনিষ্ঠ মানুষেরা আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। প্রীতিভোজে যদিও চলচ্চিত্র জগতের খ্যাতনামী থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বিজয়-রশ্মিকা।  

কিন্তু এই খুদে অনুরাগীকে আমন্ত্রণ না জানিয়ে তো ভারী সমস্যায় পড়লেন বিজয়৷  ভিডিয়োটি নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়৷ বিজয় দেবেরাকোন্ডা নিজেও এই ভিডিওটি দেখতে পেয়েছেন৷ বিজয় তেলুগুতে কমেন্ট করেছেন,  আমি তোমাকে দুপুরে খাবার জন্য আমন্ত্রণ জানাব৷ তোমার প্রিয় খাবার আর মিষ্টি কী কী আমাকে জানাও। আমরা সেগুলো বাড়িতে আনব এবং জমিয়ে খাব৷ " 

বিজয়-রশ্মিকা তাদের বিয়েতে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য অনুরাগীদের ধন্যবাদ দিয়েছেন৷ সেই সঙ্গে ১ মার্চ ট্রাক ভর্তি মিষ্টি পাঠিয়েছিলেন বিভিন্ন মন্দিরে৷ বিয়ের আচার- অনুষ্ঠান আর সাজগোজের ক্ষেত্রেই যে বিজয়-রশ্মিকা ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন তা নয়৷ বিবাহ-পরবর্তী সময় অনুরাগীদের জন্যও ভেবেছেন বিজয়-রশ্মিকা। 

 ভারতীয় ঐতিহ্যে যে কোনও আনন্দানুষ্ঠানের উদযাপন হয় মিষ্টি আর সুস্বাদু খাবার সহযোগে৷ 
এক্ষেত্রেও ঐতিহ্য বজায় রাখলেন বিজয় রশ্নিকা৷ ১ মার্চ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ট্রাকে করে মিষ্টি পাঠিয়েছেন বিজয়-রশ্মিকা৷ বিজয় লিখেছেন, "আমাদের জীবনের এই সুন্দর মুহূর্তের আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই৷ তাই ট্রাক ভর্তি ভালবাসা আর মিষ্টি থাকছে৷" 

তেলঙ্গনার হায়দরাবাদ, করিমনগর, মেহবুবনগর এই তিন শহরে মিষ্টি ভর্তি ট্রাক যাবে৷ উত্তরপ্রেদেশের নয়ডা গাজিয়াবাদ, গুজরাটের আহমেদাবাদ, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, মহারাষ্ট্রের মুম্বই, রাজস্থানের জয়পুর, অন্ধ্রপ্রদেশের ভাইজ্যাগ,  বিজয়ওয়াদাতে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে৷ কেরালার কোচি, কর্ণাটকের মহীশুর, বেঙ্গালুরু,  তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর, চেন্নাই,  দিল্লি চন্ডীগড় পণ্ডিচেরীতে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে৷ বিহারে রেল দুর্ঘটনার জন্য রবিবার ১ মার্চের পরিবর্তে সোমবার ২ মার্চ মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে৷