টেলিভিশনের চকোলেট বয় হিসেবে দর্শক চেনেন তাঁকে। তাঁর ফ্যান ফলোয়িং প্রচুর। বড়পর্দার মাধ্যমে তাঁর অভিনয়ে হাতেখড়ি হলেও জনপ্রিয়তা এসেছে ছোটপর্দা থেকেই। পরপর কয়েকটি ধারাবাহিকে অভিনয় করলেও সেই আগের রগচটা নায়কের চরিত্রটা ভুলতে পারেননি দর্শক। এদিকে সময়ের গতিতে নায়ক জনপ্রিয়তা হাতের মোয়া মনে করতে শুরু করেছেন। এখন প্রচুর ব্যস্ততা তাঁর।

শুটিং ফ্লোরে শটের মাঝে ব্যস্ততা, কখনও আবার শট শেষে ফোনে কথা বলার ব্যস্ততা, কখনও সাক্ষাৎকার দিতেও অনিহা তাঁর। নায়কের জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই তাঁকে অনেক ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয় বইকি। তবে শুটিং ফ্লোরেও তাঁর এই আচরণ বেশ অস্বস্তিকর। বর্তমানে নতুন মেগার নায়ক হয়ে ফিরেছেন তিনি। সঙ্গে একেবারে নতুন মুখ। তাই তিনিই এখন সর্বেসর্বা। 

সাক্ষাৎকারের আগে ফোন কল, শেষে আবার মন ভাল না থাকার অজুহাত। এ যেন সত্যিই অবাক কাণ্ড! কেন মাঝেমধ্যেই এমন মন খারাপ হয় নায়কের? টলিপাড়ার অন্দরে কান পাতলেই শোনা যায়, নায়কের সঙ্গে নাকি স্ত্রীর সম্পর্ক একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। বহুদিন ধরেই নাকি আলাদাও থাকছেন তাঁরা। তবে এই বিষয়ে নিজেরা কিছুই বলেননি কখনও। সম্প্রতি, নায়কের অভিনেত্রী স্ত্রীর জন্মদিন ছিল। একাই জন্মদিন পালন করেছেন তিনি। নিদেনপক্ষে একটা শুভেচ্ছাও‌ জানাননি তিনি। তাই আবারও নায়কের মন খারাপ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু নায়কের এমন আচরণ বেজায় ক্ষতি করছে ফ্লোরেরও। 

কয়েক মিনিটের বিরতির নাম করে প্রায় ঘণ্টা খানেক কাটিয়ে আসেন এই নায়ক। ফলে ফ্লোর রেডি হওয়ার পরেও বসে থাকেন পরিচালক। প্রশ্ন করা হলে জবাবেও আসে সেই ব্যস্ততা। আর বেচারা নবাগতা নায়িকা, অভিনয়ের পাঠ শেখার তাগিদ খেটে মরতে বাধ্য তিনি।