মাত্র কিছুদিন হল শুরু হয়েছে 'তারে ধরি ধরি মনে করি'। এই ধারাবাহিকের হাত ধরে পুনরায় ছোটপর্দায় ফিরেছেন পল্লবী শর্মা। তাঁর এবং বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক একদম গোড়া থেকেই একের পর এক চমক দেখাচ্ছে। গল্পে আসছে নানা মোড়। আর তার মধ্যেই এবার গোরা এবং দিতির জীবনে কোন ঝড় উঠতে চলেছে? 

চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফে 'তারে ধরি ধরি মনে করি' ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। সেখানেই দেখা যাচ্ছে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলছে গোরা। জানাচ্ছে দিতিকে খুঁজতে যখন তখন পুলস্ত্য এই বাড়ি পর্যন্ত চলে আসবে। এদিকে দিতি এখনও রূপমঞ্জরীর মতো হয়ে ওঠেনি। না পারে ঈশ্বরের গান গাইতে, না তার চালচলন রূপমঞ্জরীর মতো। এমন অবস্থায় পুলস্ত্যর হাত থেকে নায়িকাকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠে গোরা। চিন্তায় পড়ে যায় কী করবে না করবে ভেবে। 

শেষ পর্যন্ত গোরা দিতিকে যত দ্রুত সম্ভব রূপমঞ্জরীর মতো গড়ে নিতে চায়। তাকে ভজন, ঈশ্বরের গান শেখায়। কিন্তু দিতির তাতে মন নেই। সে শিখতে চায় না। এমন অবস্থায় গোরার আশঙ্কা সত্যি করে তাদের বাড়িতে এসে পৌঁছয় পুলস্ত্য। মুখোমুখি হয় দিতির এমন অবস্থায় কী ঘটবে, কী করে নায়িকাকে বাঁচাবে গোরা সেটাই দেখার। একই সঙ্গে তার বাড়ির লোক কি তবে দিতির আসল পরিচয় জেনে যাবে, উঠছে সেই প্রশ্নও। 
প্রসঙ্গত, রূপমঞ্জরীর মৃত্যুর পর ভেঙে পড়ে গোরা। আর সেই সময়ই কাকতালীয় ভাবে দিতি এবং পুলস্ত্যর বাগদানের অনুষ্ঠান চলাকালীন নৌকা উল্টে ভেসে যায় দিতি। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রাণ বাঁচায় গোরা। বাড়ি নিয়ে আসে রূপমঞ্জরীর পরিচয়ে। এমন অবস্থায় গল্পে আসছে নতুন টুইস্ট। কী ঘটে শেষ পর্যন্ত সেটাই দেখার। যদিও এই প্রোমো দেখে উচ্ছ্বসিত দর্শক। কেউ কেউ আগামীতে কী হবে তা আন্দাজ করে লিখেছেন যে, 'অদ্বিতীয়া বলবে আমি দিতি নই, রূপ। গোরার স্ত্রী।' এই কথা কতটা বাস্তবে ফলে, পর্দায় কী হয় তা আগামীতেই বোঝা যাবে।

প্রসঙ্গত, 'নিম ফুলের মধু' ধারাবাহিকটি শেষ হওয়ার পর 'তারে ধরি ধরি মনে করি' ধারাবাহিকের হাত ধরে ছোটপর্দায় ফিরলেন পল্লবী শর্মা। অন্যদিকে বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় সদ্য রুক্মিণী মৈত্রর সঙ্গে 'হাঁটি হাঁটি পা পা' ছবিতে কাজ করেছেন। তারপর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে ছোটপর্দায় ফিরলেন। 'তারে ধরি ধরি মনে করি' ধারাবাহিকটি জি বাংলার পর্দায় দেখা যায় রোজ। এটি সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ সম্প্রচারিত হয়।