বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা তথা কমেডিয়ান সুনীল গ্রোভার-কে চেনেন না এমন মানুষ কমই আছেন। অমিতাভ বচ্চন, আমির খান কিংবা সালমান খানের মিমিক্রি করে যিনি কোটি কোটি দর্শককে হাসিয়ে চলেছেন, পর্দার সেই গ্ল্যামারাস তারকাই এবার ধরা দিলেন এক্কেবারে ভিন্ন মেজাজে। গতকাল, বৃহস্পতিবার রাতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন সুনীল, যা দেখে চোখ কপালে উঠেছে ওঁর ভক্তদের।
ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, কোনও বিলাসবহুল হোটেল বা ফাইভ-স্টার রিসর্ট নয়, বরং রাতের অন্ধকারে একটি নদীর ঘাটে, খোলা আকাশের নিচে ফুটপাথের ওপর একটা ছেঁড়া মাদুর পেতে শান্তিতে ঘুমোচ্ছেন অভিনেতা।
ভিডিওটিতে সুনীল গ্রোভার ওঁর চারপাশের পরিবেশও দেখিয়েছেন, যেখানে ওঁর মতোই আরও অনেক পুণ্যার্থী ও সাধারণ মানুষ খোলা আকাশের নিচে মাটির ওপর শুয়ে রাত কাটাচ্ছেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে ‘জয় কার মহাকাল’ ভক্তিগীতি। তবে এই নদীর ঘাটটি ঠিক কোন জায়গায় অবস্থিত, তা কিন্তু অভিনেতা খোলসা করেননি।ভিডিওটির ক্যাপশনে সুনীল লিখেছেন— “তারে জমিন পর”।
একজন প্রথম সারির সেলিব্রিটির এমন মাটির মানুষ সুলভ আচরণ এবং সরলতা মন জয় করে নিয়েছে নেটিজেনদের। অনেকেই কমেন্ট সেকশনে ওঁর এই ডাউন-টু-আর্থ স্বভাবের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
?utm_source=ig_web_button_share_sheet
সুনীল গ্রোভারের এভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনকে আপন করে নেওয়ার ঘটনা অবশ্য এটাই প্রথম নয়। এর আগেও ওঁর এরকম একাধিক ভিডিও সোশ্যালে ভাইরাল হয়েছে। রাস্তার কলে কাপড় কাচা: কয়েক মাস আগে হালকা গোলাপি টি-শার্ট আর ব্ল্যাক ট্র্যাকপ্যান্ট পরে রাস্তার ধারের একটি চাপাকলে বসে বালতি ভর্তি জামাকাপড় কাচতে দেখা গিয়েছিল সুনীলকে। জামাকাপড় কাচার পর ওঁর সেই কলে মুখ ধোয়ার ভিডিওতে ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছিল হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া ১৯৬২ সালের বিখ্যাত গান ‘না তুম হমে জানো’।
মাটির উনুনে রুটি: অন্য আর একটি ভিডিওতে সুনীলকে দেখা গিয়েছিল মাটিতে উবু হয়ে বসে গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মাটির উনুনে রুটি সেঁকতে। ময়দা মাখা থেকে শুরু করে নিখুঁত গোল রুটি বানিয়ে সরাসরি উনুনের আগুনে তা সেঁকে ওঁর ক্যাপশন ছিল, “বন্ধুরা, রুটি খেয়ে নাও...।”
সুনীল গ্রোভারকে শেষ দেখা গিয়েছে নেটফ্লিক্সের অত্যন্ত জনপ্রিয় কমেডি টক শো ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কাপিল শো’ -তে। দীর্ঘদিন পর কাপিল শর্মার সাথে ওঁর পুনর্মিলন এবং শো-তে ওঁর বিভিন্ন মজাদার ক্যারেক্টার ও তারকাদের নিখুঁত মিমিক্রি এই মুহূর্তে ওঁর জনপ্রিয়তা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।















