সদ্যই সমারোহে পালিত হল স্বামী বিবেকানন্দর ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকী। সেই উপলক্ষ্যে এই বছর বরাহনগরের বাসিন্দাদের এক বিশেষ চমক উপহার দিলেন এই এলাকার তৃণমূল বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। বরাহনগরের এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে এখানকার একটি রাস্তা স্বামীজির নামে পরিবর্তন করার আর্জি জানাচ্ছিলেন। সেই কথাই এবার রাখলেন অভিনেত্রী তথা বিধায়ক। 

গত বছর রুক্মিণী মৈত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন করেছিলেন যাতে স্টার থিয়েটারের নাম বদলে বিনোদিনী দাসীর নামে বিনোদিনী থিয়েটার করা যায়। সেই কথা রাখা হয়েছিল। এবার সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে বদলাল বরাহনগরের এই রাস্তার নাম। সেই ঘটনার কথা জানিয়ে সায়ন্তিকা সমাজমাধ্যমে লেখেন, 'বরানগরের তাঁতিপাড়া থেকে আলমবাজার মোড় পর্যন্ত  রাস্তাটি স্বামী বিবেকানন্দের নামে নামাঙ্কিত করার জন্য দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এলাকার সাধারণ মানুষের। সেই ইচ্ছে পূরণ করতেই তাদের দাবিটুকু তুলে ধরেছিলাম বিধানসভায়।  অবশেষে রাজ্য সরকারের বদান্যতায় ও বরানগর পৌরসভার সহযোগিতায় দেশবন্ধু রোডের উপরিউক্ত অংশটুকু আজকের এই বিশেষ দিন থেকে ‘বিবেকানন্দ সরণি’ নামে পরিচিত হল।' প্রসঙ্গত, গত ১২ জানুয়ারি ছিল স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী।

তিনি এদিন রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান তাঁর আবেদন রাখার জন্য। একই সঙ্গে আরও একটি আপডেট দেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান স্বামীজির ১৬৩ তম জন্মবার্ষিকীতে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে আলমবাজারের রামকৃষ্ণ মঠ। এই কথাগুলোর সঙ্গে তিনি দুটো ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে সেই রাস্তার নতুন নামের ফলক। এবং রামকৃষ্ণ মঠের অনুষ্ঠানে তাঁকে ধন্যবাদ জানানোর একটি ক্লিপ।

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আপডেট জানানোর পর তাঁর এলাকার যাঁরা বাসিন্দা অনেকেই এই পোস্টে মন্তব্য করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়াও বেশ কিছু নেটিজেন তাঁর এই কাজের জন্য বাহবা জানিয়েছেন।

">

প্রসঙ্গত সম্প্রতি আইপ্যাক সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের ফ্ল্যাট এবং সংস্থার সল্টলেকের দফতরে তল্লাশি চালায় ইডি। এই অভিযানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশল ও গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতিয়ে নিতেই এই তল্লাশি। এরপর শুক্রবার যাদবপুর এইট বি থেকে হাজরা পর্যন্ত মিছিল করেন তিনি। সেখানে অন্যান্য সাংসদ-বিধায়কদের সঙ্গে সায়ন্তিকাও ছিলেন। তিনি এই ঘটনার পর আজকাল ডট ইনকে বলেন, "গতকাল যা হয়েছে, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। সব রকম নিয়ম মেনেই তৃণমূলের সঙ্গে কাজ করছে আইপ্যাক। এটা ঘোষিত। আর ঠিক নির্বাচনের আগেই সেখানে ইডি-র অভিযান কেন, সেটা বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না। যে এসআইআর প্রক্রিয়া হতে দু’বছর বা তারও বেশি সময় লেগে যাওয়ার কথা, তা প্রায় দু’মাসে সেরে ফেলা হচ্ছে। কত সাধারণ মানুষ বিপদে পড়ছেন। গতকাল দিদি যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, ওঁকে কুর্নিশ। দিদি যা করেছেন, তারপর ওঁকে দাবাং বলা যেতে পারে। বিজেপি যা চাইছে, সেটা কোনও দিন পাবে না।"