মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ইরানের উপর হামলা ও মধ্যপ্রাচ্যে র উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে আর্থিক বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে সোনার মতো “সেফ হেভেন” সম্পদ ও রুপোর মতো মূল্যবান ধাতুতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
2
9
এই পরিস্থিতি বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন ভবিষ্যদ্বাণী ও আলোচনাকে উস্কে দিয়েছে, যেখানে কমেক্স সিলভার পর্যন্ত দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং ভারতের সোনার দাম ২ লাখ প্রতি ১০ গ্রাম পর্যন্ত যাওয়ার কথাও বলা হচ্ছে।
3
9
গত কয়েকদিনে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ইতোমধ্যেই শক্তিশালী বৃদ্ধির লক্ষণ দেখাচ্ছে। কমেক্স গোল্ডের ক্ষেত্রেও নিরাপদ-হেভেন দাবির কারণে দাম টেকনিক্যালি শক্তিশালী হয়েছে।
4
9
আন্তর্জাতিক বাজারে সাপ্লাই ডিমান্ডের যদি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়, তাহলে এমসিএক্স গোল্ড ২ লাখ টাকার ঘরে যেতে পারে। ফলে বাজার চড়বে।
5
9
ভারতীয় বাজারেও সাম্প্রতিক সময়ে সোনা ও রুপোর দাম চড়েছে। সোনার এপ্রিল ২০২৬ ফিউচারের দাম প্রায় ১ লাখ ৬২ হাজার প্রতি ১০ গ্রাম পর্যন্ত উঠে গেছে।
6
9
বিশ্বস্ত খবর সূত্র থেকে জানা গেছে, মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক স্থানে স্পট গোল্ড যেখানে গেছে এবং ভারতীয় বাজারে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রায় ১.৬৪ লাখ প্রতি ১০ গ্রাম হয়েছে। একই দিনে রুপোর দামও বাড়ছে, যা মূল্যবান ধাতুর কথা ভাবা বিনিয়োগকারীদের নজর কেড়েছে।
7
9
জিওপলিটিক্যাল ঝুঁকি: ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের কারণে নিরাপত্তার উদ্বেগ বেড়েছে, যার ফলে ঝুঁকি এড়াতে বিনিয়োগকারীরা সোনা ও রুপোর মতো নিরাপদ সম্পদে ঝুঁকছেন।
8
9
তেলের দাম ও মুদ্রা পরিবর্তন: যুদ্ধ পরিস্থিতি তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এবং সোনা রুপোর চাহিদা বাড়ে।
9
9
যদিও দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেন যে যুদ্ধ বা বাজার শর্তের কারণে বিশাল দাম ওঠা হওয়ার জন্য শক্তিশালী মূল কারণ ও দীর্ঘমেয়াদী সমর্থন দরকার। স্বল্পমেয়াদে দাম ওঠা নামা হতে পারে এবং বিনিয়োগের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।