হায়দরাবাদের প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখা আর তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়! পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা ও তাঁর ‘স্পিরিট’ তারকা প্রভাস সম্প্রতি দেখে ফেললেন আদিত্য ধর ও রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। আর সেই দেখার পরই বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া ভাঙ্গার। বুধবার রাতের সেই বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের পর বৃহস্পতিবার সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন তিনি এবং ‘ধুরন্ধর’ ছবির ‘প্রোপাগান্ডা’ তত্ত্বকে একেবারে উড়িয়ে দিলেন সপাটে। এবিং রণবীর সিং-কে নিয়ে করলেন দুরন্ত প্রশংসা, দীপিকার সঙ্গে নিজের সেই বহু বিতর্কিত ঝামেলা হওয়া সত্বেও।
সমাজমাধ্যমের পাতায় সন্দীপ লেখেন, “প্রোপাগান্ডা দিয়ে কেরিয়ার বানিয়েছে অনেকেই, তখন ইন্ডাস্ট্রি চুপ ছিল। এখন তারাই ‘ধুরন্ধর’-কে প্রোপাগান্ডা বলছে! সত্যি কথা বললেই সেটা প্রোপাগান্ডা হয়ে যাচ্ছে। কখন থেকে এমন হচ্ছে?” শুধু তাই নয়, আদিত্য ধর ও রণবীর সিংকে উদ্দেশ্য করে খানিক মজার ছলে কিন্তু কড়া সতর্কবার্তাও দেন তিনি। লেখেন, “এই অশুভ দৃষ্টি সহজে কাটবে না... কেবল মুঠো ভরা লাল লঙ্কায় নজর কাটবে না, পুরো লঙ্কার খেত জ্বালাতে হবে!” শেষে অবশ্য সন্দীপ স্পষ্ট করে দেন, “দুর্দান্ত ছবি।”
Writers & actors built careers on propaganda, and the industry stayed quiet like cats. Now the same clan mock Dhurandhar. You don’t get to call yourself liberal if your first instinct is to Mock.
— Sandeep Reddy Vanga (@imvangasandeep)
Don’t know when truth started getting labeled as propaganda...... strange times.…Tweet by @imvangasandeep
‘অ্যানিম্যাল’ ছবির পরিচালকের এই মন্তব্যের জবাবও দিয়েছেন আদিত্য ধর। তিনি লেখেন, “তুমি যেভাবে নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে কথা বলো, সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই বিশ্বাসই আমাদের নিজের কণ্ঠস্বরকে ভরসা করতে শেখায়।” সঙ্গে প্রভাসকে ভালবাসা জানিয়ে ‘স্পিরিট’-এর জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন তিনি।এর আগের দিনই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল সন্দীপ ও প্রভাসের ছবি—প্রেক্ষাগৃহে মন দিয়ে ছবি দেখছেন দু’জন। এমনকী শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে পোস্ট-ক্রেডিটসও দেখেছেন তারা।
এদিকে, ‘অ্যানিম্যাল’-এর সাফল্যের পর এখন ‘স্পিরিট’ নিয়ে ব্যস্ত সন্দীপ। প্রভাস ও তৃপ্তি ডিমরিকে নিয়ে চলছে শুটিং। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ছবিতে প্রথমে থাকার কথা ছিল দীপিকা পাড়ুকোনের, কিন্তু পরে তাঁর জায়গায় আসেন তৃপ্তি। দীপিকার সরে দাঁড়ানো নিয়ে জল্পনার মাঝেই সন্দীপ কড়া বার্তা দিয়ে লিখেছিলেন,“একজন অভিনেতাকে গল্প বলার সময় আমি ১০০% বিশ্বাস রাখি। কিন্তু কিছু কাজ সেই বিশ্বাস ভেঙে দেয়।”
এবং ‘ডার্টি পিআর গেমস’-এর অভিযোগও তুলেছিলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ‘ধুরন্ধর’ ও ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ দুটো ছবিই বক্স অফিসে রেকর্ড গড়েছে। প্রথম ছবি আয় করেছে ১৩০০ কোটির বেশি, আর সিক্যুয়েল ইতিমধ্যেই ছাড়িয়ে গিয়েছে ১৬০০ কোটি। ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন সারা অর্জুন, আর মাধবন, অক্ষয় খান্না সহ আরও অনেকে।
বিতর্ক, পাল্টা জবাব আর বক্স অফিস - সব মিলিয়ে ‘ধুরন্ধর ২’ এখন শুধু ছবি নয়, এক চলমান ঘটনাও বটে।















