পরিচালক হিসেবে সাজিদ খানের সফর শুরু হয়েছিল দারুণ সাফল্যের সঙ্গে। একের পর একবক্স অফিসে তিনটি হিট ছবি উপহার দিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর ফের পরিচালকের আসনে ফিরছেন সাজিদ খান। বলিউড হাঙ্গামা সূত্রে খবর, নীরবেই শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁর পরবর্তী ছবির শুটিং। ছবির নাম ‘হান্ড্রেড’। চমক এখানেই। এর আগে যেখানে সাজিদের সব ছবিই ছিল কমেডি ঘরানার, সেখানে ‘হান্ড্রেড’ একেবারেই হরর ছবি।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, মুম্বইয়ের ফিল্ম সিটিতে শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ছবির শুটিং। বিশেষ তাৎপর্য রেখে নির্মাতারা এই দিনটিই বেছে নিয়েছেন, কারণ ওই দিনই ছিল বসন্ত পঞ্চমী-শুভ সূচনার প্রতীক হিসেবেই এই দিন থেকে ক্যামেরা চালু করার সিদ্ধান্ত।

এই ছবির হাত ধরেই বলিউডে পা রাখতে চলেছেন যশবর্ধন আহুজা, জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ ও সুনীতা আহুজার ছেলে। ছবির নায়িকা হিসেবে থাকছেন লাপাতা লেডিজ (২০২৪) খ্যাত অভিনেত্রী নিতাংশী গোয়েল।

‘হান্ড্রেড’ প্রযোজনা করছেন অমর বুটালা, সঙ্গে একতা কাপুর ও শোভা কাপুরের প্রযোজনা সংস্থা বালাজি টেলিফিল্মস। উল্লেখযোগ্যভাবে, অমর বুটালা এর আগে প্রযোজনা করেছেন মিশন মজনু (২০২৩) এবং সহ-প্রযোজক ছিলেন মিশন মঙ্গল, কেশরী, টোটাল ধামাল, টিউবলাইট, বজরঙ্গি ভাইজান এর মতো সব বড় বাজেটের ছবিতে। তিনি হিম্মতওয়ালা (২০১৩) ছবিতেও অ্যাসোসিয়েট প্রোডিউসার ছিলেন, যে ছবির পরিচালকও ছিলেন সাজিদ খান।

আসলে সাজিদ খানের জীবনে যেন ঘুরে ফিরে এল একই জায়গা। কারণ পরিচালক হিসেবে তাঁর কেরিয়ার শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া হরর ছবি ডরনা জরুরি হ্যায়-এর একটি শর্ট পরিচালনার মাধ্যমে। প্রায় দু'দশক পর আবার সেই হরর ঘরানাতেই ফিরছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সাজিদ খান খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন একটি দুর্ঘটনার কারণে। শুটিং সেটে পায়ে চোট পান তিনি, যার ফলে অস্ত্রোপচার করতে হয়। এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন তাঁর বোন, পরিচালক ফারাহ খান। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৭ ডিসেম্বর তাঁর পায়ের হাড় ভাঙে। দ্রুত তাঁকে শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরদিন, ২৮ ডিসেম্বর সফল অস্ত্রোপচার হয়।

দীর্ঘ বিরতির পর হরর ঘরানায় সাজিদ খানের প্রত্যাবর্তন এবং নতুন মুখের লঞ্চ, সব মিলিয়ে ‘হান্ড্রেড’ ঘিরে ইতিমধ্যেই কৌতূহল বাড়তে শুরু করেছে বলিউডে।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে সাজিদ খানের বিরুদ্ধে একাধিক যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। মি টু আন্দোলনের

">

অংশ হিসেবে যাঁরা সাজিদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন অভিনেত্রী রেচেল হোয়াইট, শার্লিন চোপড়া, সহকারী পরিচালক সালোনী চোপড়া এবং সাংবাদিক করিশ্মা উপাধ্যায়। পরে সেই তালিকায় যোগ হয়েছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নবীনা বোলে।