বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি সইফ আলি খান এবং করিনা কাপুর খান। তাঁদের প্রেম যেন সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাবে। ১২ বছর পেরিয়েছে নবাব দম্পতির প্রেমের বয়স৷ আজও তাঁদের মধ্যে অটুট ভরপুর রোম্যান্স৷ কিন্তু এই রূপকথার শুরুটা নাকি এতটা মসৃণ ছিল না। সম্প্রতি এনিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন সইফ।
অভিনেতা অকপটে স্বীকার করেছেন, প্রেম করার সময়ে কারিনাকে হিংসা করতেন তিনি। বেবোকে অন্য অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করতে দেখলে রীতিমতো ঈর্ষা হত তাঁর। সইফ জানান, সেই সময় তিনি মানসিকভাবে একটু অস্বস্তিতে ভুগতেন। করিনা তখন বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী, নিয়মিত নামী নায়কদের সঙ্গে ছবি করতেন। শর্মিলা পুত্রের কথায়, “ডেটিংয়ের সময় বিষয়টা মেনে নেওয়া সহজ ছিল না। পেশাগত দিক থেকে এটা স্বাভাবিক হলেও, ব্যক্তিগতভাবে মাঝে মাঝে খারাপ লাগত।”
সাইফ এও পরিষ্কার করেছেন যে এই অনুভূতি ছিল অপরিণত বয়সের স্বাভাবিক আবেগ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বুঝেছেন, অভিনয় করিনার পেশা, আর সেই পেশাকে সম্মান করাই একজন সঙ্গী হিসেবে তাঁর দায়িত্ব। ধীরে ধীরে তাঁদের সম্পর্কে বিশ্বাস, বোঝাপড়া আর পরস্পরের প্রতি সম্মান আরও গভীর হয়।
সইফ আরও বলেন, বিয়ের পর এই ধরনের অনুভূতি তাঁর জীবনে আর জায়গা পায়নি। এখন তিনি করিনাকে শুধু সফল অভিনেত্রী হিসেবেই নয়, একজন দায়িত্বশীল স্ত্রী, আদর্শ মা এবং শক্ত মনের মানুষ হিসেবে দেখেন। স্ত্রীর আত্মবিশ্বাস ও পেশাদারিত্বের ভক্ত বলে জানান নায়ক। সইফ এই সাক্ষাৎকারে যেন বোঝাতে চেয়েছেন, সম্পর্কের শুরুতে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি বা হিংসা থাকতেই পারে। কিন্তু যদি দু’জনে একে অপরকে সম্মান করেন, তাহলে সেই সম্পর্ক আরও শক্ত হয়। সাইফ–কারিনার সম্পর্ক তারই এক বাস্তব উদাহরণ।
তবে বলিউডের গ্ল্যামারের আড়ালেও যে তারকাদের সাধারণ মানুষের মতো অনুভূতি কাজ করে, সইফের স্বীকারোক্তিতে যেন তারই নজির মিলেছে।
