জি বাংলার সদ্য শুরু হয়েছে 'সাত পাকে বাঁধা'।গল্পে দেখা যাচ্ছে শুভ এবং শাওনের কথা। শুভ নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। দাদা, বৌদি, মা, বাবা সহ অনেককে নিয়ে থাকে। তাদের ঘর ছোট ছোট। আর সেই বাড়ির সামনেই এক মস্ত রাজপ্রাসাদ। সেখানে বিলাস, বৈভবের কোনও কমতি নেই। এই বাড়ির মেয়ে শাওন। পোষ্যকে মেয়ের থেকে বেশি ভালবাসে। শাওন বিত্তশালী হলেও, বিলাসবহুল জীবন কাটালেও সেখানে ভালবাসা নেই। সে অনাদরে থাকে। অন্যদিকে শুভ গরীব হলেও ভালবাসার কমতি নেই। 

শাওনের বাবা শিক্ষামন্ত্রী। আর শুভ তার সেক্রেটারি। শাওন জানতে পারে তার পিসি ও বাবা মিলে তার বিয়ে ঠিক করেছে। কিন্তু এখনও পড়াশোনা শেষ হয়নি তার। তাই সে এই বিয়ে কিছুতেই করতে পারবে না। বারবার বাবার কাছে সেই কথা বলার চেষ্টা করলেও বলে উঠতে পারে না সে‌। তাই সে বুদ্ধি করে পাত্রপক্ষ দেখতে আসার দিন বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়‌‌। আর ঠিক তখনই শুভ জানতে পারে যে সেই সম্বন্ধ শাওনের জন্য নয়, বরং তার দিদি রাইমার জন্য আসছে। কিন্তু সেটা শাওনকে বলার আগেই সে পাত্রপক্ষের গাড়ি থামিয়ে জানিয়ে দেয় যে তারা যে মেয়েকে দেখতে যাচ্ছে, সে খুব খারাপ। এদিকে বাড়ি আসার পর যখন সে সবটা বুঝতে পারে তখন আর কিছু করার থাকে না। পাত্রপক্ষও চিনে ফেলে শাওনকে‌। 

শাওনের ভুলের জন্য কি বাবার সঙ্গে আবারও সম্পর্ক খারাপ হবে তার? শুভ কি পারবে বাবা-মেয়ের দূরত্ব দূর করতে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।

প্রসঙ্গত, মেগায় 'শুভ'র চরিত্রে দেখা যাচ্ছে রাহুল মজুমদারকে। 'শাওন'-এর চরিত্রে অভিনয় করছেন নবাগতা সম্পূর্ণা রক্ষিত। এছাড়াও শাওনের বাবা ও পিসির ভূমিকায় আছেন দেবদূত ঘোষ, চান্দ্রেয়ী ঘোষ। এই ধারাবাহিক প্রতিদিন বিকেল সাড়ে পাঁচটায় জি বাংলার পর্দায় সম্প্রচারিত হয়। নতুন শুরু হলেও এখন থেকেই রাহুল ও সম্পূর্ণার এই নতুন জুটিকে দারুণ পছন্দ করছেন দর্শক। এবার টিআরপি তালিকায় কতটা জায়গা করতে পারে এই ধারাবাহিক, এখন সেটাই দেখার।