স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন স্ত্রী জুঁই বিশ্বাস৷ ব্যক্তিগত সম্পর্কে ভাঙনের নেপথ্যে কি রাজনৈতিক পালাবদল? টলিউডকে কেন্দ্র করে স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ নাকি অন্য কোনও কারণ?
জুঁই বিশ্বাস বলেন, "২০১৯ এর শেষ থেকে আমরা মিউচুয়ালি সেপারেটেড৷ এখন কিছু মিডিয়া হঠাৎ টিআরপির জন্য বলছে, সরকার পরিবর্তনের কারণে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত৷ কিন্তু তখন থেকেই দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বও জানতেন যে আমরা ২০১৯ এর শেষ থেকে আলাদা থাকি৷ আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া এই বছর শুরু হল৷ এর বেশি এই বিষয় কিছু বলার নেই।"
জুঁই বিশ্বাস আরও বলেন, "অভয়া কাণ্ড যখন হয়, দিদি যখন মিছিল করেন, সেই মিছিলে আমি ছিলাম৷ আমরা ভেবেছিলাম প্রতিবাদে মিছিল হল। দোষীরা শাস্তি পাবে৷ যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ কিন্তু পরবর্তীকালে দেখলাম সেভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হল না। শুধু আমি নয়, আমার মনে হয় কোনও মেয়ে কোনও মা অভয়াকাণ্ড মেনে নিতে পারেনি৷ এই ঘটনা অত্যন্ত খারাপ, একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। আমি একজন মা হিসাবে এই ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারিনি৷ অভয়াকাণ্ড মন থেকে মেনে নিতে না পারায় এই ঘটনায় আমি যেহেতু পার্টিকে ডিফেন্ড করিনি তাই এর পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে আর কোথাও আমাকে পাঠানো হয়নি৷ তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র হিসাবে এখনও আমার নাম রয়েছে৷ কিন্তু কোথাও পাঠানো হয়নি৷"
জুঁই বলেন, " শিরদাঁড়া সোজা রেখে স্রোতের বিপরীতে কাজ করা খুব শক্ত৷ কিন্তু প্রচারে থেকেও কোনও অন্যায় সুযোগ সুবিধা না নিয়ে এত বছর দলের জন্য কাজ করা, এটা খুব কম মানুষ পেরেছেন৷ আমি করতে পেরেছি, এর জন্য আমি গর্বিত৷ বরাবর স্রোতের বিপরীতে কথা বলেছি বলেই হয়তো আমাকে কোণঠাসা করা হয়েছে৷"
টলিউডে ব্যান কালচার এবং স্বরূপ বিশ্বাসের প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে জুঁই বলেন, টলিউডের কোনও অনুষ্ঠানে কি আমাকে দেখা গিয়েছে? কয়েকবার সরকারি আমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়েছি৷ এছাড়া কোনও পার্টি কোনও প্রিমিয়ারে যাইনি৷ টলিউড আমার বিষয় নয়, আমি এই বিষয় কিছুই বলতে পারব না৷ তদন্ত হোক, সত্যি সামনে এলে বোঝা যাবে৷"















