বর্তমানে জোর জল্পনা চলছে বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দনার বিয়ে নিয়ে। বলিউডের অন্দরে ফিসফাস এই মাসের শেষেই নাকি উদয়পুরে সাতপাকে বাঁধা পড়বেন তাঁরা। যদিও এই বিষয়ে এখনও টুঁ শব্দ করেননি। তবে এই জল্পনার মাঝেই এদিন রশ্মিকা এবং বিজয়কে হায়দরাবাদ ছাড়তে দেখা যায়। আর তাতেই যেন জল্পনার আগুনে ঘি পড়ল।
শনিবার, বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে বিমানবন্দরে দেখা গেল। তাঁর পরনে ক্যাজুয়াল গ্রে শার্ট এবং বেইজ টিশার্ট, গ্রে ট্রাউজার ছিল। মুখে মাস্ক পরে, মাথা নিচু করে তাঁকে বিমানবন্দরে ঢুকতে দেখা যায়। তিনি এদিন ছবি শিকারিদের জন্য বিন্দুমাত্র দাঁড়াননি বা পোজ দেননি। বলেননি কোনও কথাও।
এর কিছুক্ষণ পরেই রশ্মিকা মন্দানাকে একই বিমানবন্দরে আসতে দেখা যায়। তাঁর চারপাশে নিরাপত্তারক্ষীদের কড়া বেষ্টনী ছিল। তিনিও কোনও কথা বলেননি বা ছবি তোলেননি। অভিনেত্রীকে এদিন চর্চিত প্রেমিকের সঙ্গে রং মিলিয়ে গ্রে টপ এবং কালো জিন্সে দেখা যায়। কপালে ছিল টিকা।
তাঁদের এদিন পরপর বিমানবন্দরে আসতে দেখে এবং শহর ছাড়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হতেই তাঁদের বিয়ের জল্পনার আগুনে যেন ঘি পড়ল। নেটিজেনদের মতে ৫ দিন পরেই ২৬ ফেব্রুয়ারি সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন তাঁরা। উদয়পুরে বসবে তাঁদের বিবাহ বাসর, জল্পনা এমনই।
গত ৩ অক্টোবর ২০২৫ সালে রশ্মিকা এবং বিজয় আংটি বদল সারেন। ২০১৮ সাল থেকে তাঁরা প্রেম করছেন বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু প্রকাশ্যে কখনই তাঁরা তাঁদের সম্পর্কে সিলমোহর দেননি। বরং নিজেদের ভাল বন্ধু বলেই পরিচয় দিয়েছেন সবসময়। উদয়পুরে বিয়ে করলেও হায়দরাবাদে তাঁদের রিসেপশন হবে বলে জানা গিয়েছে।
তাঁদের বিয়ের কার্ড সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে, সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজস্থানের উদয়পুরের একটি হেরিটেজ প্যালেসে বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের আসর বসবে। বিয়ের পর ৪ মার্চ হায়দরাবাদে একটি জমকালো রিসেপশন পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। এবার খবর, বিয়ের দিন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে এই জুটি এক কঠোর ‘নো-ফোন পলিসি’ গ্রহণ করেছেন। অর্থাৎ, বিয়ের মণ্ডপে কোনও অতিথি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। এমনকী যাঁরা বিয়ের ছবি ও ভিডিও তুলবেন, সেই পেশাদার ফটোগ্রাফারদের টিমের সঙ্গেও কঠোর আইনি চুক্তি সাক্ষর করা হয়েছে যাতে একটি ছবিও বিয়ের আগে বাইরে না আসে। কোনও প্রকার উপহারের পরিবর্তে বিজয়-রশ্মিকা তাঁদের বন্ধুদের হাতে লেখা চিরকুটে জানিয়েছেন, তাঁদের উপস্থিতি এবং আশীর্বাদই সবচেয়ে বড় উপহার।
