বলিউড থেকে হলিউড। দুই দুনিয়াতেই নিজের দাপট প্রমাণ করেছেন ‘দেশি গার্ল’ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর নতুন ছবি ‘দ্য ব্লাফ’ ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই ছবির অ্যাকশন দৃশ্য নিয়ে উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল ভক্তদের মধ্যে। অবশেষে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বিশ্বজুড়ে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও-তে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি।
তবে মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই আরেকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে, এই ছবির জন্য কত পারিশ্রমিক নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা এবং ছবির অন্যান্য অভিনেতারা?
ছবিতে মুখ্যচরিত্রে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। ফলে তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তুঙ্গে। সামাজিক মাধ্যমে নানা অঙ্ক ঘুরলেও প্রযোজকদের তরফে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রিয়াঙ্কা সাধারণত একটি ছবি বা ওয়েব প্রজেক্টের জন্য ৩৩ থেকে ৬৬ কোটি টাকার মধ্যে পারিশ্রমিক নেন।
আরও একটি সূত্র জানাচ্ছে, এই ছবির জন্য তিনি প্রায় ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬৫-৬৬ কোটি টাকার কাছাকাছি পারিশ্রমিক নিতে পারেন! যদিও এই অঙ্কের সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওজ বা নির্মাতারা।

বিভিন্ন ট্রেড রিপোর্টে আরও জানা যাচ্ছে, ছবির অন্যান্য অভিনেতারাও মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক পেয়েছেন বলে অনুমান। যেমন, ‘দ্য বয়েজ’ সিরিজ খ্যাত হলিউড অভিনেতা কার্ল আরবান নাকি এই ছবির জন্য ২-৩ মিলিয়ন ডলার নিয়েছেন। অন্যদিকে ইসমাইল ক্রুজ কর্ডোভা পেয়েছেন প্রায় পাঁচ লাখ থেকে এক মিলিয়ন ডলারের মধ্যে। এছাড়া অভিনেত্রী সাফিয়া ওকলে গ্রিন-এর পারিশ্রমিকও প্রায় একই সীমায় বলে শোনা যাচ্ছে।
তবে সবকিছুই আপাতত অনুমাননির্ভর। কারণ নির্মাতা বা স্টুডিওর তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা জানান, ‘দ্য ব্লাফ’ ছবির চিত্রনাট্য প্রথমবার হাতে পাওয়ার পর টানা একেবারেই পড়ে ফেলেছিলেন তিনি। পরিচালক ফ্র্যাঙ্ক ই ফ্লাওয়ার্সের সঙ্গে আলাপের পরই তাঁর মনে হয়েছিল, এই চরিত্র তাঁর অভিনয়জীবনে বিশেষ জায়গা করে নেবে। ঊনবিংশ শতকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ছবিতে বহুস্তরীয় এক নারী চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ তাঁকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছিল। শুধু অভিনেত্রী হিসেবেই নয়, প্রযোজক হিসেবেও এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হওয়াকে তিনি বড় অর্জন বলে মনে করেন।
তিনি আরও জানান, এর আগে ‘সিটাডেল’-এর কাজ করতে গিয়ে তিনি এই ছবির নির্মাতা সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। সেই সূত্রেই নির্মাতাদের আস্থা তাঁকে এই ছবিতে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছিল।
