আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ এখন বক্স অফিসে ঝড় তুলছে। এই ছবিতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের আদলে তৈরি চরিত্র ‘অজয় সান্যাল’-এর ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে আর মাধবনকে। আর ঠিক এখানেই ফিরে এল এক পুরনো স্মৃতি—‘উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এ একই ধরনের চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন পরেশ রাওয়াল। দুই অভিনেতার পারফরম্যান্স নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় তুলনা—আর সেখানেই নিজের স্বভাবসিদ্ধ হিউমারে বাজিমাত করলেন 'উরি' তারকা।


এক্স -এ এক ব্যবহারকারী ‘উরি’ ছবিতে পরেশ রাওয়ালের অভিনয়ের প্রশংসা করে লেখেন, “অজিত ডোভাল হিসেবে আপনাকে খুব ভাল লেগেছিল, শুধু একটা জিনিস বাদ গিয়েছিল। ওই ছবিতে আপনাকে ধূমপান করতে দেখা যায়নি।” এই মন্তব্যের জবাবে পরেশ রাওয়াল লিখলেন—“হ্যাঁ, ধূমপান করিনি, তবে ফোন ভেঙেছি!” সঙ্গে ছিল হাসির ইমোজি। উল্লেখ্য, ‘উরি’-তে  পরেশ রাওয়াল অভিনীত চরিত্রের একটি বিখ্যাত দৃশ্যে রাগের মাথায় ফোন ভেঙে ফেলতে দেখা গিয়েছিল। সেই প্রসঙ্গই তুলে এনে এক লাইনে জমিয়ে দিলেন তিনি।

 

 

কেউ লিখেছেন, “অজিত ডোভালের চরিত্রটি অনেকটা জেমস বন্ড ফ্র্যাঞ্চাইজির মতো, যেখানে একাধিক অভিনেতা অভিনয় করে গর্বিত হন।” আবার কেউ কেউ মাধবনকেই এই চরিত্রে এগিয়ে রেখেছেন।


‘উরি’ ছবিতে ভিকি কৌশল ও ইয়ামি গৌতমের বীরত্ব দেখা গিয়েছিল ২০১৬-র সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রেক্ষাপটে। অন্যদিকে, ‘ধুরন্ধর ২’ আরও বড় ক্যানভাসে তৈরি। ১৯৯৯-এর আইসি-৮১৪ হাইজ্যাক থেকে শুরু করে ২০০৮-এর মুম্বই হামলা এবং অপারেশন লিয়ারি—সবই উঠে এসেছে রণবীর সিং অভিনীত এই স্পাই থ্রিলারে। রণবীর এখানে ‘হামজা আলি মাজারি’ সেজে করাচির আন্ডারওয়ার্ল্ড ও সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক ধ্বংসের মিশনে নেমেছেন। ছবিতে রণবীর ও অর্জুন রামপালের টক্কর এবং সঞ্জয় দত্তর উপস্থিতি দর্শকদের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, বলিউডের বক্স অফিসে এখন একটাই নাম,  ‘ধুরন্ধর ২’। আদিত্য ধরের পরিচালনায় রণবীর সিং অভিনীত এই ছবি রিলিজের পর থেকেই যেন ঝড় তুলেছে। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই একের পর এক রেকর্ড ভেঙে, ইতিমধ্যেই ১০০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করেছে এই মেগা-ব্লকবাস্টার। আর সেই সঙ্গেই উঠছে বড় প্রশ্ন— ২০০০ কোটির ম্যাজিক ফিগার কি ছুঁতে পারবে ‘ধুরন্ধর ২’?ছবির বক্স অফিস যাত্রা শুরু থেকেই ছিল বিস্ফোরক। মাত্র তিন দিনের মধ্যেই ৫০০ কোটি টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়, পাঁচ দিনে বিশ্বজুড়ে ৭০০ কোটি টাকার ব্যবসা করে ফেলে। আর মুক্তির নবম দিনে পৌঁছে যায় ১০০০–১১০০ কোটির বিশাল অঙ্কে। এর মধ্যে শুধুমাত্র ভারতেই মোট আয় ৭০০ কোটি টাকার বেশি, যা সাম্প্রতিক সময়ের বহু ব্লকবাস্টারকেও ছাপিয়ে গেছে।

 

 

&t=2069s