বাংলা ছবিতে ফের সুরের ছোঁয়া। সঙ্গীত, বন্ধুত্ব, পরিবার ও সম্পর্কের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে নতুন ছবি ‘কেন দূরে থাকো’। শ্রীপ্রীতম ও টুবুন মুন্সীর যৌথ পরিচালনায় এবং একটি প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত এই ছবিটি তুলে ধরবে একদল তরুণ-তরুণীর স্বপ্নযাত্রার গল্প।

পরিচালক শ্রীপ্রীতমের কথায়, “এটি মূলত সঙ্গীতনির্ভর একটি গল্প। কয়েকজন বন্ধুর গানের প্রতি অদম্য ভালবাসা, তাদের সংগ্রাম, সম্পর্কের ওঠানামা, সব মিলিয়ে এক আবেগঘন যাত্রা।” সহ-পরিচালক টুবুন জানান, “বাংলা গানের নেশায় বুঁদ কিছু ছেলে-মেয়ের গল্প এটি। সঙ্গীত ও পরিবারের টানাপোড়েন এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। সব বয়সের দর্শকের কাছে গল্পটি পৌঁছবে বলেই বিশ্বাস।”

ছবিতে দেখা যাবে সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে উঠে আসা একদল প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীকে, যাদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু গান। তাদের লক্ষ্য, সুরের মাধ্যমে মানুষকে একসুতোয় বাঁধা। স্বপ্নপূরণের পথে তারা পাড়ি দেয় পাহাড়ে। যেখানে রয়েছে একাধিক সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং পাহাড়ি সংস্কৃতির সঙ্গে মেলবন্ধনের ইচ্ছা। কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক চলতে চলতেই ঘটে যায় এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। বদলে যায় সম্পর্কের সমীকরণ, ভেঙে পড়ে ভরসার জায়গা। দিশেহারা হয়ে তারা খুঁজতে থাকে নিজেদের। শেষ পর্যন্ত তারা কি ফিরে পাবে সেই সুর, যা তাদের এক করেছিল? উত্তর মিলবে ছবিতে।

অভিনয়ে রয়েছেন আমান মুন্সী, বর্ষা সেনগুপ্ত, পরান বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। আমান বলেন, “এই চরিত্রটি আমার কাছে বিশেষ। সঙ্গীতের সঙ্গে বড় হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা কাজে লাগছে। তবে চরিত্রের জন্য আলাদা প্রস্তুতিও নিতে হচ্ছে।” গায়িকা থেকে অভিনেত্রী হওয়া বর্ষার কথায়, “গল্পটা শুনেই মনে হয়েছিল চরিত্রটি আমার খুব চেনা। তাই কাজটা করতে বিশেষ আগ্রহী।” পরানের সংযোজন, “এটি মূলত ভালবাসার গল্প। দর্শকদের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।”

সঙ্গীত ও আবেগের মেলবন্ধনে তৈরি ‘কেন দূরে থাকো’ যে প্রেক্ষাগৃহে এক আলাদা আবহ তৈরি করবে, সে বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী ছবির নির্মাতা ও কলাকুশলীরা।