রাণা সরকারের প্রযোজনায় আসছে প্রয়াত অভিনেত্রী মহুয়া রায়চৌধুরীর বায়োপিক 'গুনগুন করে মহুয়া'। এই ছবিতে 'মহুয়া'র চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী অঙ্কিতা মল্লিককে। শুধু অঙ্কিতাই নন, মহুয়া রায়চৌধুরীর তরুণী বয়সের চরিত্রে অভিনয় করবেন দিব্যাণী মণ্ডল। ইতিমধ্যেই শুটিং শুরু হয়েছে এই ছবির। টলিপাড়ার অন্দরের খবর, ছবিতে মহুয়ার বাবার চরিত্রে দেখা যেতে চলেছে অভিনেতা লোকনাথ দেকে। 

মহুয়ার বাবা 'নীলাঞ্জন রায়চৌধুরী'র চরিত্রে দেখা যাবে লোকনাথকে। অভিনেত্রীর বাবা খুবই সাধারণ একজন মানুষ ছিলেন। মধ্যবিত্তের সংসারে নানা চিন্তার মধ্যেও মেয়ের স্বপ্নকে মরতে দেন না তিনি। মহুয়ার নাচের প্রতি আগ্রহ দেখে তিনিই তাঁকে স্বপ্নপূরণের দিকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। ছাপোষা এই মধ্যবিত্ত বাঙালিকেই বড়পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে চলেছেন লোকনাথ দে। 

'গুনগুন করে মহুয়া' ছবিতে অভিনেতা দিব্যজ্যোতি দত্ত থাকছেন ক্যামেরার পিছনে। অন্যদিকে, গানের দায়িত্বে রয়েছেন দেবলীনা নন্দী। শুটিং শুরু হয়েছে এই ছবির। তবে এই ছবির শুটিংয়ের প্রথম দিনেই ঘটে এক বিপদ। 

পরিচালক রাজদীপ ঘোষের নির্দেশনায় সেদিন উত্তর কলকাতায় শুরু হয়েছিল শুটিং। তবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল শুটিং, এমনটাই অভিযোগ এনেছিলেন খোদ প্রযোজক। সমাজমাধ্যমে রাণার অভিযোগ ছিল, একদল লোক যাঁরা টেকনিশিয়ান কিন্তু তাঁদের সঙ্গে মহুয়া রায়চৌধুরীর বায়োপিকের সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নন, এমনকী তাঁদের সঙ্গে নেই কোনও সমস্যা। অভিযুক্তরা নাকি শুটিং লোকেশনে এসে ছবির ইউনিটের কর্মীকে মারধর করেছিলেন, যার জেরে থমকে গিয়েছিল শুটিং। 

তবে এদিন আরও এক অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু সেই অভিযোগের তির রাণা সরকারের দিকে। জানা যায়, তিনি নাকি বাধা দিতে আসা লোকজনের মধ্যে একজনকে মারধর করেছিলেন। তারপর ইম্পার সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তর তৎপরতায় ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে এই ঘটনার মিমাংসা নিয়ে আবেদন করেছিলেন রাণা। স্বরূপ বিশ্বাস আশ্বাস দিয়েছিলেন বিষয়টায় তিনি অবগত না থাকলেও তিনি খতিয়ে দেখবেন। এবং ব্যবস্থা নেবেন। এরপর শুরু হয়েছে শুটিং। 

প্রসঙ্গত, মহুয়া রায়চৌধুরীর জীবনীচিত্রে বহু তারকার উপস্থিতি যে থাকবে সেটা তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু সেই চরিত্রে কোন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দেখা যাবে সেটা ক্রমশ প্রকাশ্য।