‘‘যদি সত্যিই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতাম তা হলে জিতদার সঙ্গে ‘মানুষ’ ছবিটাই করতাম না!’’ এমএন রাজ পরিচালিত ‘এম-১৬’ থেকে সরে আসা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জীতু কমল আজকাল ডট ইনকে প্রথমে এই যুক্তিই দেখিয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, কাজ করার আগে শুনেছিলেন, জিৎই নাকি তাঁর সব ছবিতে শেষ কথা বলেন। কিন্তু কাজ করে জানলেন, সুপারস্টারের নামে পুরো ভুয়ো খবর ছড়ানো। সেই জায়গা থেকে তাঁর দাবি, তিনি এতটাও ছেলেমানুষ নন যে সোহম চক্রবর্তী বা বাংলাদেশের সুপারস্টার অপূর্বকে ভয় পেয়ে ছবি থেকে সরে যাবেন।
তা হলে কী কারণে সরে দাঁড়ালেন তিনি? বড়পর্দার ‘অপরাজিত রায়’ মারাত্মক কিছু অভিযোগ এনেছেন। দাবি, ‘‘এক, সবাই যে পোস্টার দেখছেন সেটা আমার অনুমতি না নিয়েই সামাজিক পাতায় দেওয়া হয়েছে। দুই, পোস্টারে আমার মুখ থাকলেও শরীরটা আমার নয়। অন্যের শরীরে আমার মুখ বসিয়ে তৈরি হয়েছে পোস্টার। যা অত্যন্ত অনৈতিক। তিন, ক্রমাগত চিত্রনাট্যের বদল। গত নভেম্বর থেকে এটাই হয়ে চলেছে। এভাবে চললে আমি চরিত্র নিয়ে ভাবব কী করে? চার, এবং শুটিংয়ের তারিখ। ক্রমাগত তারিখ বদলালে আমার বাকি কাজ যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে।’’
জীতুর আরও অভিযোগ, তিনি ক্রোমায় কিছু শুট করেছিলেন। সেই সময়ের ভিডিও, ছবি তাঁকে না জানিয়ে সামাজিক পাতায় ভাগ করে নিয়েছেন প্রযোজক রক্তিম চট্টোপাধ্যায়। সোহম চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনিও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। সোহম তাঁকে জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে প্রাথমিক কথা হয়েছিল। তারপর আর কোনও কথাই নাকি হয়নি। জীতুর মতে, প্রযোজক-পরিচালক কারও সঙ্গেই ঠিকমতো কথা বলছেন না। এখনও পর্যন্ত একমাত্র বিশ্বনাথ বসু ছাড়া ছবির আর কোনও অভিনেতা চূড়ান্ত নন। সেই ঝামেলা তাঁরা অভিনেতার কাঁধে চাপিয়ে দিয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতার ভুয়ো গল্প ফেঁদে।
তা হলে কী কারণে সরে দাঁড়ালেন তিনি? বড়পর্দার ‘অপরাজিত রায়’ মারাত্মক কিছু অভিযোগ এনেছেন। দাবি, ‘‘এক, সবাই যে পোস্টার দেখছেন সেটা আমার অনুমতি না নিয়েই সামাজিক পাতায় দেওয়া হয়েছে। দুই, পোস্টারে আমার মুখ থাকলেও শরীরটা আমার নয়। অন্যের শরীরে আমার মুখ বসিয়ে তৈরি হয়েছে পোস্টার। যা অত্যন্ত অনৈতিক। তিন, ক্রমাগত চিত্রনাট্যের বদল। গত নভেম্বর থেকে এটাই হয়ে চলেছে। এভাবে চললে আমি চরিত্র নিয়ে ভাবব কী করে? চার, এবং শুটিংয়ের তারিখ। ক্রমাগত তারিখ বদলালে আমার বাকি কাজ যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে।’’
জীতুর আরও অভিযোগ, তিনি ক্রোমায় কিছু শুট করেছিলেন। সেই সময়ের ভিডিও, ছবি তাঁকে না জানিয়ে সামাজিক পাতায় ভাগ করে নিয়েছেন প্রযোজক রক্তিম চট্টোপাধ্যায়। সোহম চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনিও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। সোহম তাঁকে জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে প্রাথমিক কথা হয়েছিল। তারপর আর কোনও কথাই নাকি হয়নি। জীতুর মতে, প্রযোজক-পরিচালক কারও সঙ্গেই ঠিকমতো কথা বলছেন না। এখনও পর্যন্ত একমাত্র বিশ্বনাথ বসু ছাড়া ছবির আর কোনও অভিনেতা চূড়ান্ত নন। সেই ঝামেলা তাঁরা অভিনেতার কাঁধে চাপিয়ে দিয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতার ভুয়ো গল্প ফেঁদে।















