আনন্দ এল রাই পরিচালিত রোমান্টিক ড্রামা ‘তেরে ইশক মে’ মুক্তি পেয়েছে শুক্রবার। ধনুষ এবং কৃতি স্যানন অভিনীত এই ছবিটি মুক্তির পর থেকেই চর্চার কেন্দ্রে। বিশেষ করে ছবিতে ‘মুক্তি’ চরিত্রে কৃতি স্যাননের অভিনয় যেন দর্শক ও নেটদুনিয়াকে একেবারে দু’ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক পোস্টে প্রশংসার বন্যা বয়ে যাচ্ছে, আর সেই সঙ্গেই উঠে এসেছে এক বিতর্কিত তুলনা- কৃতি কি আদতে আলিয়া ভাটের থেকেও বেশি ভাল অভিনেত্রী?

 

এক্স-এ এক ‘তেরে ইশক মে’ ছবির এক দর্শক লেখেন, “আলিয়ার থেকেও ভাল অভিনেত্রী কৃতি। সমস্যা একটাই, ওঁর হাতে কখনও সেই মানের চরিত্র আসে না, যেখানে তিনি নিজের যোগ্যতা পুরোপুরি দেখাতে পারেন।” ওই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা। দক্ষিণ ভারতের এক দর্শক পাল্টা লেখেন, “আমরা দক্ষিণের দর্শকরা সবসময়ই কৃতিকে অসাধারণ অভিনেত্রী বলে মনে করি। নেপোটিজমের জন্যই প্রকৃত প্রতিভারা বারবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।” আরও একজন লেখেন, “আলিয়ার মতো ধারাবাহিক ভাল সুযোগ কৃতির জীবনে আসেনি, এটাই আক্ষেপ।”

 

শুধু তুলনা নয়, কৃতির অভিনয় নিয়েও প্রশংসার অভাব নেই। এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, “‘তেরে ইশ্ক মে’ ছবিতে কৃতি একেবারে লেডি কবীর সিং। তীব্র আবেগে ভরপুর চরিত্র, স্ক্রিন প্রেজেন্স দুর্দান্ত।” কেউ আবার সরাসরি লিখেছেন, “বর্তমান প্রজন্মের সেরা অভিনেত্রী কৃতি স্যানন।” অনেকেরই মত, তাঁর প্রতিভা দীর্ঘদিন ধরে ভুল ছবিতে নষ্ট হয়েছে।

 

 

এই প্রশংসা কৃতির নজর এড়িয়ে যায়নি। এক ট্রেড অ্যানালিস্টের পোস্টে তিনি লেখেন, “প্রশংসার জন্য ধন্যবাদ। আমার মতে, নিজেকে নিরন্তর বদলাতে ও চ্যালেঞ্জ না করতে পারলে জীবন আসলে থেমে যায়। পর্দায় নিজেকে ভাঙার নিরন্তর আগুনটা জ্বালিয়ে রাখে।”

 

ইনস্টাগ্রামে আরও আবেগপ্রবণ পোস্টে কৃতি লেখেন, “একজন অভিনেতার সেরা প্রাপ্তি হল দর্শক যখন অব্যক্ত আবেগগুলোও অনুভব করতে পারেন। মুক্তি আমার সবচেয়ে জটিল ও কঠিন চরিত্র। ওর হৃদয়ের প্রতিটা ছন্দ যখন আপনাদের ছুঁয়ে যায়, সেটাই ইশক।”

 

 

 

‘তেরে ইশ্ক মে’ ছবিটি শঙ্কর (ধনুষ) ও মুক্তি (কৃতি)-র প্রবল প্রেমের গল্প তুলে ধরে-দুই মেরুর মানুষ হয়েও যাঁরা একে অপরের প্রেমে পড়ে। মুক্তির প্রথম দু’দিনেই ছবিটি সারা দেশে ৩৩ কোটি টাকা নেট কালেকশন করেছে, যা প্রমাণ করে এই ছবি লম্বা রেসের ঘোড়া হতে চলেছে।