লাইট, ক্যামেরা অ্যাকশনের মধ্যে দিয়ে তাঁর কেরিয়ার শুরু। সিনে দুনিয়াই তাঁকে পরিচিতি এনে দেয়। কাট টু, ২০২১ সালে গ্ল্যম দুনিয়া থেকে সরে তিনি রাজনীতির ময়দানে আসেন। বিজেপিতে যোগ দেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে টিকিট পান। প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপুল ভোটে হারিয়ে বিধায়ক হন। এবার আবার নতুন শুরু করতে চলেছেন অভিনেতা, বিধায়ক। কী?
এদিন হিরণ চট্টোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে তাঁর নতুন শুরুর কথা জানালেন। না, আবার নতুন কোনও ফিল্ডে যাচ্ছেন না তিনি। বরং রাজনীতির ময়দানে থেকেই এক অভিনব উদ্যোগ নিলেন। শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দাদের উন্নতি এবং উন্নয়নের স্বার্থে এক বিশেষ পদক্ষেপ নিতে চলেছেন তিনি। সেটা কি?
এদিন হিরণ তাঁর ভিডিওতে শ্যামপুরের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে বলেন, "সকল শ্যামপুরবাসীকে একটা ছোট্ট অনুরোধ করব। আমাদের এখানে এমন বহু মানুষ আছেন, যাঁরা এখন হয়তো অবসর নিয়েছেন, বা এমন একটা স্টেজে এসেছেন যখন তাঁরা কিছু করতে চান আমাদের সমাজের জন্য। আমি সেই সমস্ত মানুষদের উদ্দেশ্যে বলছি, যাঁরা শ্যামপুরের মানুষদের সার্বিক উন্নয়ন চান, সমস্ত দিক থেকেই, সেটা শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট যা কিছু হতে পারে। যাঁরা যাঁরা আপনার আগ্রহী, যাঁরা চান আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে আপনাদের উপদেশ বা অভিজ্ঞতা আমাদের সঙ্গে ভাগ করবেন, তাহলে করতে পারেন। আমরা তবে সার্বিক ভাবে শ্যামপুরের উন্নয়ন করতে পারব। অনেকটা সুবিধা হবে।"
কীভাবে সেটা সম্ভব, কী সাহায্য হবে? এই বিষয়ে ব্যাখ্যা করে বিধায়ক বলেন, "ধরা যাক, কেউ বিডিও অফিসে কাজ করতেন, এখন আর করেন না। তিনি যদি কিছু বলতে চান, কীভাবে মানুষের আরও কাছে আমর পৌঁছতে পারি, সেটা বলতে পারেন।" এদিন হিরণ চট্টোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য একটি নম্বরও বলে দেন। তাঁর কথায়, "আমার একটা ফোন নম্বর ফেসবুকে দেওয়া আছে, ৭৪৭৮১৬১৪৭১, সেখানে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেজ, বা ফোন করতে পারেন। ফোন করলে হয়তো একটু অসুবিধা হয়। এছাড়া শ্যামপুরে অফিস আছে, ওখানেও আসতে পারেন, যোগাযোগ করতে পারেন। চাইব, যাঁরা শ্যামপুরের সার্বিক উন্নয়ন করতে চান তাঁরা এগিয়ে আসবেন। আমি আপনাদের পাশে আছি, এবং আপনাদের সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন করতে চাই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সুদৃঢ়, সুন্দর করে তুলুন। তারা যেন কাজ পায়, চাকরি পায় আমরা যেন সেই দিশা তাঁদের দেখাতে পারি।"
হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের এই পোস্টে অনেকেই যেমন তাঁকে সাধুবাদ জানিয়েছেন, তেমন আবার অনেকে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন।
















