বুধবার গভীর রাতে মুম্বইয়ের বান্দ্রার একটি রেস্তরাঁ থেকে বেরতে দেখা গেল অভিনেতা ডিনো মোরিয়াকে। বাইরে বেরিয়ে বেশ শান্ত ও হাসিখুশি মেজাজেই ধরা পড়েন তিনি। গাড়ির দিকে এগিয়ে যাওয়ার আগে মুহূর্তের জন্য থেমে পাপারাজ্জির দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে পোজ দেন তিনি। এমনকি বন্ধুসুলভ ভঙ্গিতে ‘থাম্বস আপ’ দেখিয়ে তাঁদের অভিবাদনও জানান।
তবে ওই মুহূর্তে উপস্থিত সকলের নজর কেড়েছে আরেকটি বিষয়। ডিনো একা ছিলেন না। তাঁর সঙ্গে দেখা যায় এক রহস্যময়ী নারীকে, যাঁকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয় অনুরাগীদের মধ্যে। পরে দু’জনকে একই গাড়িতে বসে রেস্তরাঁ থেকে চলে যেতে দেখা যায়। সেই দৃশ্য সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ডিনোর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়।
নৈশভোজের জন্য ডিনো বেছে নিয়েছিলেন আরামদায়ক অথচ স্টাইলিশ পোশাক। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের জিপ-আপ জ্যাকেট, যার হাতায় হালকা নীল স্ট্রাইপ নজর কেড়েছে। তার সঙ্গে তিনি পরেছিলেন নীল ডেনিম জিনস। মাথায় ছিল গাঢ় রঙের বেসবল ক্যাপ। কিন্তু অভিনেতার সঙ্গে সেই নারী কে, আপাতত সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তাঁর অনুরাগীরা।
২০২৫ সালে ‘মেরে হাসব্যান্ড কি বিবি’-তে অভিনয় করেন এবং ‘হাউসফুল ৫’-এ শেষবার বড়পর্দায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে। কম কাজ করলেও ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি এখনও সক্রিয়। ছবির পাশাপাশি নানা জায়গায় পৌঁছে যান তিনি। নেটমাধ্যমেও তাঁর জনপ্রিয়তা কিছু কম নয়।
এক সময় বিপাশা বসুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ডিনোর। কিন্তু শেষমেশ সেই প্রেম ভেঙে যায়। কিন্তু তিক্ততা নয়, সৌজন্যকেই বেছে নিয়েছিলেন তাঁরা।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এক সাক্ষাৎকারে ডিনো খোলাখুলি কথা বলেন তাঁর কেরিয়ার, প্রেমের জীবন এবং ব্যক্তিগত বিশ্বাস নিয়ে। সেখানে প্রেমকে জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে উল্লেখ করেন ডিনো। তাঁর মতে, ভালবাসা মুক্তভাবে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত এবং প্রত্যেক মানুষেরই ভালবাসা পাওয়ার অধিকার আছে। বর্তমানে তিনি কোনও সম্পর্কে রয়েছেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতা ইঙ্গিত দেন, তাঁর জীবনে বিশেষ কেউ থাকতে পারেন। তাহলে কি সেই রহস্যময়ী নারীই ডিনোর জীবনের বিশেষ কেউ? তা নিয়েও শুরু চর্চা।
বিয়ে নিয়ে নিজের মতামত জানাতে গিয়ে ডিনো বলেন, বিয়ে আসলে একটি সামাজিক কাঠামো মাত্র। তাঁর মতে, একসঙ্গে থাকা, একসঙ্গে বৃদ্ধ হওয়া এবং একে অপরকে প্রয়োজনীয় স্পেস দেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের দেওয়া তকমা নয়। যদিও বিয়ের ধারণার বিরোধী নন তিনি, তবে কাউকে বিয়ের জন্য জোর করা উচিত নয় বলেই স্পষ্ট মত তাঁর।
