শুক্রবার সমাজমাধ্যমে কার্যত বিস্ফোরণ ঘটান দেব-শুভশ্রী। তাঁদের আগামী ছবি 'দেশু ৭'-এ অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে সুযোগ দেন। একটি ভিডিও করে সমাজমাধ্যমে এই খবর দেন দেব-শুভশ্রী। ভিডিওতে দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির পাশে দেখা যায় টলিউড থেকে ব্যান হওয়া অভিনেতা অনির্বাণকেও। ওই ভিডিওতে 'দেশু ৭' নিয়ে আরও কিছু ঘোষণা করেন দেব।
শনিবার আরও একবার সমাজমাধ্যমে মুখোমুখি দেব-শুভশ্রী। এবার দু'জনেই কথা বললেন টলিউডের ব্যান কালচার নিয়ে। দেব বলেন, "গতকাল অনির্বাণ যোগ দিয়েছে আমাদের ছবিতে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি আর আলাদা নয়। এবার সময় এসেছে আমরা যেন একসঙ্গে লড়াই করি। আমি প্রথমদিন থেকেই ব্যান কালচারের বিরুদ্ধে ছিলাম। আমার মনে হয়, একজন শিল্পীর থেকে যদি কাজটাই কেড়ে নেওয়া হয় তাহলে তার সংসার চলবে কী করে? একটা ভুল বার্তাও যাচ্ছে, আমাদের ইন্ডাস্ট্রি নাকি যাকে তাকে ব্যান করে দেয়। সেটা ছড়াক আমি চাই না। সেই জন্যই অনির্বাণের সঙ্গে কাজ করা। এবং অনির্বাণ দারুণ ট্যালেন্টেড।"
দেব আরও বলেন, "একটা কথা বলতে চাই আমাদের টেকনিশিয়ান বন্ধুদের, অনির্বাণকে নেওয়া মানে কিন্তু আপনাদের অপমান করা নয়। ওকে নেওয়া মানে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। আরও যাঁরা ব্যান হয়ে আছেন, তাঁরাও কাজ করতে পারছেন না। আমি অনুরোধ করছি, সমস্ত ব্যান তুলে নেওয়া হোক। এখন সময় চলে এসেছে আওয়াজ তোলার। যাঁরা নেতিবাচকতা ছড়ানোর চেষ্টা করছেন তাঁদের বলব, আপনাদের যে ক্ষমতাটা আছে সেটা দিয়ে কাজ আটকাবেন না।"
দেবের কথা সমর্থন করে শুভশ্রী বলেন, "এই ব্যান কালচার যেন ইতিহাসে আর না হয়, সেই জন্য আমাদের পদক্ষেপ করতে হবে। বাইরে থেকে কেউ এসে এটা করবে না। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে বড় করার জন্য এটা করতেই হবে। একজন আর্টিস্ট, একজন ডিরেক্টর বা একজন টেকনিশিয়ানকে ব্যান করা মানে পুরো কাজটাকে ব্যান করা। আমরা সকলে মিলে বরং এটাই ভাবি আরও কীভাবে বেশি কাজ করা হয়।"
এরপর দেব বলেন, "কথার কথা বলছি, যদি কোনও আর্টিস্টকে ব্যান করার পর যদি সে আত্মহত্যা করে, দায় কার? আমাদেরই তো। সবার তো বয়স আছে! একটা বয়সের পরে মানুষের সময়, সুযোগ থাকে না সেভাবে কাজ করার। আমার অনুরোধ সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের, সবাই একটা ফ্যামিলি এখন, আমাদের উচিত এই ব্যান কালচারকে তুলে দেওয়া এবং সুস্থ পরিবেশ গড়ে তোলা।"















