২৭ মে হিন্দুস্তান পার্কের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয় পরিচালক অনীক দত্তর। তাঁকে তড়িঘড়ি দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। এদিন বিকেলে সেই হাসপাতাল থেকে পিজি ওরফে এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ময়নাতদন্তের জন্য। ইতিমধ্যেই সেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কী জানা গিয়েছে রিপোর্টে?
সূত্রের খবর, অনীক দত্তের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এমনকী তাঁর পরিবারের হাতে দেহ হস্তান্তর করে দেওয়া হয়েছে। কী রয়েছে সেই রিপোর্টে? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসকদের অনুমান এটি আত্মহত্যা। ছাদ থেকে পড়ে যাওয়ার কারণে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চোট রয়েছে। বিশেষ করে মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। রক্তপাতের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলেই জানানো হয়েছে রিপোর্টে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয় অনীক দত্তের।
তবে, গোটা বিষয়টি আরও সঠিকভাবে বলা যাবে পুলিশি তদন্ত শেষ হওয়ার পর। যেখান থেকে পরিচালক ঝাঁপ দিয়েছেন সেটা কতটা উঁচু, কত উঁচু পাঁচিল ছিল এগুলো সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে উপর থেকে পড়ার সময় অনীক দত্তর দেহ যে কাঁঠাল গাছে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়েছে সেই জায়গাটা, মূলত, ছাদ এবং কাঁঠাল গাছের মধ্যে দূরত্ব কত ছিল সবটাই সরেজমিনে দেখা হবে।
এছাড়া পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। এই নোট দেখেই আপাতদৃষ্টিতে মনে করা হচ্ছে অনীক দত্ত আত্মহত্যা করেছেন। তবে এখনই এই নোটের উপরে ভিত্তি করে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। কারণ এই সুইসাইড নোটটি পুলিশের তরফে ফরেন্সিকে পাঠানো হবে হাতের লেখা মিলিয়ে দেখার জন্য। যাচাই করা হবে নোটটি অনীক দত্তরই লেখা, নাকি অন্য কেউ লিখেছেন।
এদিন অনীক দত্তর অস্বাভাবিক মৃত্যু প্রসঙ্গে ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে জানান তাঁরা একটি সুইসাইড নোট পেয়েছেন। কী আছে তাতে? এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তাঁর জবাব, "অস্বাভাবিক মৃত্যুর কেস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তদন্ত চলছে। আমরা ময়নাতদন্ত করাব। টিম এসে কিছু স্যাম্পেল সংগ্রহ করেছে। ফরেনসিক করানো হবে এই জায়গার। একটা সুইসাইড নোট আমরা পেয়েছি, কিন্তু ওর ভিতরে কী আছে সেটা এখনই বলা যাবে না। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি।"















