৩০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে বড় আইনি মোড়। করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী তথা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যুর পর তাঁর বিশাল সম্পত্তি ফ্রিজ বা বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট। সঞ্জয়ের তৃতীয় স্ত্রী প্রিয়া সচদেবের বিরুদ্ধে ওঠা উইল জালিয়াতির অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী তথা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরের বিশাল সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে বড় আইনি মোড়। সঞ্জয়ের মৃত্যুর পর তাঁর প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকার সম্পত্তি ফ্রিজ বা বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট। সঞ্জয়ের তৃতীয় স্ত্রী প্রিয়া সচদেবের বিরুদ্ধে ওঠা উইল জালিয়াতির অভিযোগের ভিত্তিতেই ৩০ এপ্রিল এই অন্তর্বর্তীকালীন হস্তক্ষেপ করেছে আদালত। 

 


সঞ্জয় কাপুরের প্রথম পক্ষের সন্তান—করিশ্মা কাপুরের মেয়ে সামাইরা এবং ছেলে কিয়ান অভিযোগ করেছেন যে, প্রিয়া সচদেব তাঁর বাবার উইলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও দামি সম্পদের তালিকা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন। তাঁদের দাবি, প্রিয়া একটি জাল উইল তৈরি করেছেন এবং ভুল তথ্য দিয়েছেন। তালিকায় বাদ পড়া হাই-ভ্যালু সম্পদের মধ্যে রয়েছে:

অত্যন্ত দামি পোলো ঘোড়া।

রোলেক্সের মতো বিলাসবহুল ঘড়ি।

দুর্মূল্য শিল্পকর্ম ও বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট হোল্ডিং।


দিল্লি হাইকোর্টের বিচারক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, উইলটির আইনি বৈধতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তির কোনো ক্ষতি সাধন বা বিক্রি করা যাবে না। আদালত প্রিয়া সচদেবের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করে সঞ্জয় কাপুরের সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে। বিচারকের মতে, যদি এই উইলটি জাল প্রমাণিত হয়, তবে তা সন্তানদের জন্য চরম অবিচার হবে। এখন প্রিয়া সচদেবকে এই উইলের সত্যতা প্রমাণ করতে হবে।এই আইনি লড়াইয়ে সঞ্জয়ের মা রানি কাপুর ও বোন মন্দিরাও যুক্ত রয়েছেন। আইনি শুনানির সময় সন্তানদের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করারও অভিযোগ উঠেছে।


গত বছরের ১২ জুন লন্ডনে একটি পোলো ম্যাচ চলাকালীন ৫৩ বছর বয়সে সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যু হয়। শুরুতে তাঁর মা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুললেও, ব্রিটিশ স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তদন্তে উঠে আসে যে তিনি স্বাভাবিক কারণেই মারা যান। তাঁর মৃত্যুর আসল কারণ ছিল হৃদরোগ ।