মিল্টন সেন, হুগলি: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যজুড়ে ভোটের দামামা৷ এরই মধ্যে জেলায় জেলায় একের পর এক ঘটনা ঘটতেই থাকছে৷ রবিবার সভা মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের প্রতি সরাসরি কড়া বার্তা দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি।
"গত পরশু মোদি বাবু লোকসভায় হেরেছেন। পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। একটা সংখ্যালঘু সরকার। মাইনরিটি সরকার নিয়ে এত বড় অহংকার। লজ্জাও করে না। গভর্মেন্ট-এর মেশিনারী দিয়ে দূরদর্শনকে দিয়ে পলিটিকাল ক্যাম্পেন করেছে। আমরা কমপ্লেন করব। ধিক্কার জানাই। মহিলার জন্য তোমার এত দয়ামায়া। এ বার বলি মহিলা বিল পাস হয়েছিল ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। আমরা সবাই সমর্থন করেছিলাম। ৪৫০ এর বেশি ভোট পেয়েছিল। সেই মহিলা বিল আজ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি কেনও? নরেন্দ্র মোদি জবাব দাও অমিত শাহ জবাব দাও বিজেপি পার্টি জবাব দাও। আমাদের নামে মিথ্যা কথা বলছো? তোমরা কি করেছিলে মহিলা বিলটাকে আলাদা না করে মহিলা বিলের সঙ্গে তোমরা ডিলিমিটেশন যোগ করে দিয়েছিলে। অর্থাৎ বঙ্গভঙ্গ করা। নিজেরা হারবে জেনে এই পরিকল্পনা করেছিলে। তোমরা যদি মহিলাদের ভালবাসতে তাহলে মহিলাদের বিল যেটা পাস হয়ে গিয়েছিল সেটা চালু করতে। এটা মহিলা বিল নয় এটা ডিলিমিটেশন বিল। মহিলা বিল অলরেডি ২০২৩ সালে পাশ হয়ে গিয়েছে। তাই কোনও দিন বিজেপি সেটা করবে না। আবার করুক সমর্থন দিয়ে দেব মহিলা বিলের জন্য। আমরা পুরোপুরি মেয়েদের সঙ্গে আছি।" রবিবার তারকেশ্বরের জনসভা থেকে এভাবেই বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
এ দিন তিনি আরও বলেছেন, "আমরা বলি না, আমরা করি। একমাত্র রাজ্য বাংলায় আমার লোকসভায় ৩৭ শতাংশ আমার ইলেকটেড মহিলা রয়েছে। তোমার নাক কান মূলে নাকে খত দেওয়া উচিত। আমার বিধানসভায় ৪৬ শতাংশ মহিলা রয়েছে। তোমাদের পার্টিতে দেখাও কত পারসেন্ট মহিলা রয়েছে। তোমরা মহিলাদের টিকিট দাও না। দিলেও খুব কম দাও। হারা আসনে টিকিট দাও। মহিলাদের তোমরা কেয়ার করো না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আমি চ্যালেঞ্জ করছি আপনি কি করে চেয়ারে থেকে যখন একটা রাজ্য ইলেকশান চলছে সরকারি মেশিনারি ইউজ করে দূরদর্শনে পলিটিকাল ক্যাম্পেন করেন? জাতীর উদ্দেশ্যে ভাষন দিতে গিয়ে রাজনীতি করেছে। আপনাকে মানুষের কাছে জবাব দিতে হবে।"
পাশাপাশি তিনি যোগ করেন, "ভোটের আগে চালাকি! শুধু মিথ্যা কথা বলে বলে পেরিয়ে যাবে আর দূরদর্শনে বক্তৃতা দেবে এমনকী স্কুল স্টুডেন্টদের কাছেও। লজ্জাও করে না বিজেপি পার্টি থেকে সিবিএসসি স্কুলে প্রচার পত্র পাঠিয়ে বলা হয়েছে আমাদের সমর্থন করুন। আজকে মা বোনদের কাছে গিয়ে বলছে ফর্ম ফিলাপ করুন। তুমি বাজেটে টাকাটা দিলে না কেন। আমি বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বাড়িয়েছি। তোমারও ফেব্রুয়ারি মাসে বাজেট হয়েছিল। তখন কেন করলে না? তাহলে বুঝতাম তুমি সত্যিই করেছো কিন্তু তুমি করবেনা। তুই মেয়েদের ওখানে কার্ড বিলি করে মেয়েদের নাম নিচ্ছ। পরিবারের সব ডিটেলস নিচ্ছ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিচ্ছো আধার কার্ড নিচ্ছো। কাল ইলেকশন হয়ে গেলে ঐ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট গুলো লুট করবে। ওরা যদি কোনও টাকা পাঠায় সেটা কালো টাকা চিটফান্ডের টাকা। মনে রাখবেন ওই টাকা গ্রহণ করবেন না। আপনি ৩৬৫ দিন লক্ষ্মীর ভান্ডার চান নাকি বিজেপির কথায় ভোটের আগে ওদের মিথ্যা ভাষণে বিহারের মতো একবার দিল তারপরে বুলডোজার চালিয়ে দিল। এখন মহিলাদের বলছে যা দিয়েছি ফেরত দাও। তোমরা কীভাবে মহিলাদের কেনা যায় বিক্রি করা যায় লাঞ্চনা করা যায়। আমি বলে যাই মহিলারা লক্ষীর ভান্ডার আজীবন পাবেন আমাদের সরকার থাকলে। পাঁচ বছর পাবেন না একদিন তিন হাজার নেবেন পরের দিন কিন্তু কোন স্কিম পাবেন না যাতে কোনও সুবিধা হবে। একুশে বলেছিলাম করব পাঁচ বছর পেয়েছেন টানা এখনও পাচ্ছেন ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ১৭০০ করেছি। আজীবন পাবেন কোনওদিন মহিলাদের ভান্ডারে কেউ হাত দিতে পারবে না। কৃষক বন্ধুদের জন্য ১০০০০ টাকা মাসে দিই। ভাগ চাষী এমনকী যার এক কাঠা জমি আছে তাকেও আমরা ৪০০০ দিন। ক্ষেত মজুরদের যারা কোনওদিন কিছু পেত না এবার থেকে তাদেরও আমরা চার হাজার টাকা করে বছরে দুবার দিচ্ছি। আলু চাষিদের জন্য ইন্সুরেন্স করা হয়েছে। যুব সাথীরা টাকা পাচ্ছে আরও যাঁরা অ্যাপ্লাই করবেন তারাও পাবেন। আপনাদের চাকরির সন্ধান করে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। এখনও যাদের কাঁচা বাড়ি আছে সব কাঁচা বাড়ি আমরা পাকা বাড়ি করে দেবো। আগের বার বলেছিলাম লক্ষীর ভান্ডার স্বাস্থ্য সাথী দুয়ারে সরকার স্মার্ট কার্ড সব করে দিয়েছি। আমরা করে দেখাই। আমরা মিথ্যা কথা বলে পালাই না, ভোটের পর। কৃষকদের জন্য আলাদা বাজেট হবে। এবার ৩০ থেকে ৪০ পার্সেন্ট আলু বেশি ফলন হয়েছে।"
"আমার যে ইনকাম ট্যাক্স করে তার বাড়িতেও ইডি রেড করেছে। আমাদের প্রার্থী দেবাশীষ কুমারকে ১৬ ঘণ্টা আটকে রেখেছে। প্রত্যেকটা কেস হবে। ছেড়ে কথা বলার লোক আমরা নই। তারপর আমার যে সিকিউরিটি দেখেন, তার বাড়িতে সকাল থেকে রেড চলছে। তার মানে কি আপনারা আমায় খুন করতে চান! নাকি হত্যা করতে চান! আমাকে খুন করলে যদি আপনারা বাংলা পান চেষ্টা করে দেখুন। বাম আমলে অনেকবার খুন করার চেষ্টা করা হয়েছে আর সেই সিপিএমই এখন আপনাদের দোসর। পচা সিপিএম গুলো সব আপনাদের ওখানে গিয়ে জুটেছে। তাদের বুদ্ধিতে কাজ করছেন। আমরা সব বাড়িতে বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেবো এক কোটি বাড়িতে পৌঁছে যে ওরা টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা করে দেবো। ২৫ পার্সেন্ট ডিএ সরকারি কর্মচারীরা পেয়েছেন চার পার্সেন্ট দিয়ে যেটা আমরা ডিক্লেয়ার করেছিলাম সেটা হয়ে যাবে।" মুখ্যমন্ত্রী বলেন।
এ দিন শুরুতে মুখ্য মন্ত্রী বলেন, "অক্ষয় তৃতীয়ার মাঙ্গলিক দিনে সকলের মঙ্গল কামনা করি। এই জেলা শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের। মা সারদা মায়ের জন্মস্থান। জয়রামবাটি কামারপুকুর। আমি সেখানে ডেভেলপমেন্ট বোর্ড তৈরি করে দিয়েছি। তারকেশ্বরের উন্নয়নের জন্য ডেভেলপমেন্ট বোর্ড করে সব কাজ করে দিয়েছি। তারকেশ্বরে এক কোটির বেশি পুন্যার্থী আসেন। তাঁদের সব অ্যারেঞ্জমেন্ট আমরা করে দিই। আমি বলব ভোলে বাবা পার লাগাও, ত্রিশুলধারী শক্তি যোগাও। এই জেলায় রাজা রামমোহন রায়, কেশব চন্দ্র নাগ এই জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। প্রেমেন্দ্র নাথ মিত্র আমার বাড়ির ছয় সাতটা বাড়ির পর থাকতেন। আমরা যাঁর জন্য গর্ব করি। এখানে তারকেশ্বর কামারপুকুর ফুরফুরা শরীফ ব্যান্ডেল চার্চ থেকে মাহেশের রথ জয়রামবাটী সবকিছু এক একটা ঐতিহাসিক প্রসিদ্ধ স্থান। আলু বীজ তৈরি করার কেন্দ্র, আমরা গবেষণাগার তৈরি করেছি। আর আলু বীজ বাইরে থেকে কেনার প্রয়োজন নেই। অভাবী আলু বিক্রি করার জন্য আলু চাষিদের লাভজনক দাম নিশ্চিন্ত করতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এবারও আলু সংগ্রহ প্রকল্প করা হয়েছে। সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে দিয়ে কুইন্টাল প্রতি ৯৫০ টাকা করা হয়েছে। ছোট আলু রাখার জন্য ৩০% জায়গা সংরক্ষিত আছে। এছাড়াও বাইরে আলু বিক্রি করার জন্য কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। আপনারা মনে করলে বিক্রি করতেই পারেন। রাজ্য সরকার কৃষকের স্বার্থে কোনও বাধা দেবে না। এবং আলু চাষীদের আলু নষ্ট হয়ে গেলে পোকায় কেটে দিলে আলু চাষীদের জন্য ইনস্যুরেন্স স্কিম তৈরি করা হয়েছে। তার ক্ষতিপূরণ আপনারা পাবেন। যেমন ধান পচে গেলে ক্ষতিপূরণ পান আলু পচে গেলেও ক্ষতি পূরন পাবেন। সিপিএমের আমলে বিক্রি করতে পারত না পড়ে থাকত আমরা সেগুলোকে এখন সংরক্ষণ করার জন্য কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করেছি। ৩০ ভাগ আলু আমরা ঢুকিয়ে রেখে দি। স্কুলের মিড ডে মিল থেকে শুরু করে সুফল বাংলা থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই আমরা আলু কিনে নিই।"
মুখ্যমন্ত্রী সিঙ্গুর আন্দোলনের প্রসঙ্গ তোলেন৷ তাপসী মালিক হত্যার প্রসঙ্গে কথা বলেন৷ "বিজেপিকে বাংলা থেকে দূর করব। দেশ থেকেও দূর করব।" কড়া হুঁশিয়ারি মমতার৷
পশ্চিমবঙ্গ একমাত্র রাজ্য যেখানে পেনশন আছে। অন্য কোনও রাজ্যে দেশে নেই। প্রবীণদের পেনশনের থেকে ২৫ শতাংশ টাকা আগেই দিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে তাঁরা তাঁদের শরীরটাকে ঠিক রাখতে পারেন। সরকারি কর্মচারীদের জন্য আলাদা হেলথ স্কিম আছে। সাধারণ মানুষের জন্য পাঁচ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্য সাথী রয়েছে।
" বিনা পয়সায় খাদ্য বিনা পয়সায় স্বাস্থ্য বিনা পয়সায় শিক্ষা কোথায় পাবেন! এমন রাজ্য কোথাও তুমি পাবে নাকো খুঁজে সকল রাজ্যের সেরা আমার বঙ্গভূমি। বহিরাগত গুন্ডাদের নিয়ে এসেছে। বজ্জাত। পুলিশকে ধমকাচ্ছে চমকাচ্ছে। ডিএমকে ধমকাচ্ছে চমকাচ্ছে। আমাদের কর্মীদের বাড়িতে রেড করছে। ইলেকশনের সময় কেনও। আর কত অত্যাচার করবেন। এরপর তো এনআরসি করবেন। মহিলা বিল পাস হয়ে গিয়েছে বলুন নোটিফাই করতে। আমরা নেতা মানি দেশ কা নেতা ক্যাসা হো, গান্ধিজি জেসা হো। আম্বেদকর জাইসা হো। বল্লভ ভাই প্যাটেল জেসা হো। স্বামী বিবেকানন্দ আমাদের ধর্মগুরু। রবীন্দ্র নজরুল আমাদের সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। স্বাধীনতা লড়াই বাংলা লড়েছে। কৃষিজমি লড়াই আপনারা লড়েছিলেন। আমি ১৪ দিন আপনাদের সঙ্গে রাস্তায় পড়েছিলাম সিঙ্গুরে। লরি দিয়ে আমাকে অ্যাক্সিডেন্ট করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল রাতের অন্ধকারে। আমি জেগে ছিলাম গাড়ি আটকাতে পেরেছিলাম। না হলে ওখানে কুড়ি পঁচিশ জন মারা যেত। সিঙ্গুরের জন্য আমি ২৬ দিন অনশন করেছিলাম। আমাদের আন্দোলনের জন্যই কৃষি জমি জোর করে দখল হবে না সেই বিল আমি পাশ করেছিলাম। সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ করে চাষীদের ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। এরপর আমরা করবো দুয়ারে স্বাস্থ্য। আপনাদের তারকেশ্বরে গ্রীন ইউনিভার্সিটি করে দিয়েছি রানী রাসমনির নামে। আমরা হসপিটাল থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য কেন্দ্র শুরু থেকে শুরু করে রাস্তা কানা নদীর উপর বীজ অনেকটাই করেছি। বন্যা রোধের জন্য তিন হাজার কোটি টাকার একটা প্রজেক্ট নিয়েছি। সেই প্রজেক্টের কাজ চালু হয়ে গেছে। তারকেশ্বর বিষ্ণুপুর রেল লাইন আমি করেছি। এই লাইনে কোনও রেল ছিল না। বিষ্ণুপুর পর্যন্ত রেল আমি চালিয়ে দিয়ে গিয়েছিলাম। আমি অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস করে দিয়ে গিয়েছিলাম বলে এক্সিডেন্ট থেকে বাঁচে। দিল্লি মেট্রো আমি করে দিয়ে গেছিলাম। কলকাতা যত মেট্রোরেল আমি করে দিয়ে গেছিলাম। বাংলা কে রেলে ঢেলে সাজিয়েছিলাম।
ক্ষমতা আসলে ১৫ লক্ষ করে টাকা মানুষের অ্যাকাউন্টে দেবেন বলেছিলেন। কেউ পাননি। ওই টাকা আপনাকে ফেরত দিতে হবে। আপনাকে পদত্যাগ করা উচিত। পদত্যাগ করুন বা না করুন লোকসভায় রায় হয়েছে এই সরকার টিকবে না। ২৬ এই পতন শুরু হয়ে গেছে। পরশুদিন আমাদের 8 জন যেতে পারেনি, ইলেকশনে ব্যস্ত ছিল। শিবসেনা ও যেতে পারেনি। সবাই গেলে সংখ্যাটা প্লাস করলে দেখুন বিজেপি গো হারা হারবে। আগামী দিনে হারিয়ে দেবো। বাংলাটা খালি জিতিয়ে দিন। বাংলাকে টার্গেট করলে দিল্লি কে টার্গেট করব।
আগামী দিন আমরা দুয়ারে স্বাস্থ্য করব। ব্লকে ব্লকে টাউনে টাউনে ডাক্তার আসবে আপনাদের শরীর চিকিৎসা করবে। আমরা অনেক প্রকল্প করেছি মোদি একটাই করেছিল বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও। আর এখন বলছে বেটি ভাগাও বেটি ভাগাও।"
এ দিন সভা মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের প্রতি কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কারোর কোনও ইগো আমি দেখতে চাই না। মা বোনেরা কোনও ফর্মে সই করবেন না। আমার নাম করে বললেও করবেন না। আপনাকে চিট করতে পারে। এদিন তারকেশ্বরের বিবেকানন্দ সেবা কেন্দ্রে কলাইকুন্ডু এলাকার একটি স্পোর্ট কমপ্লেক্সে দলীয় প্রার্থী সমর্থনে জনসভা করেন মমতা ব্যানার্জি। উপস্থিত ছিলেন আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগ, তারকেশ্বরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামেন্দু সিংহ রায়, সিঙ্গুরের প্রার্থী বেচারাম মান্না, হরি পালের প্রার্থী করবী মান্না প্রমুখ।















