আজকাল ওয়েবডেস্ক: ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন—তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় মানুষের পাশে থাকার যে অঙ্গিকার করেছিলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে তিনি আবারও তা ঝালিয়ে নিলেন। রাজ্যের মানুষের প্রতি নিজের গভীর টান এবং আগামী দিনের লড়াইয়ের মেজাজ স্পষ্ট করে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ হল 'মা-মাটি-মানুষ'-এর মধ্যে থাকা। সাধারণ মানুষই তাঁর প্রধান শক্তি এবং প্রতিটি সংগ্রামের অনুপ্রেরণা। বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি যে অবিচল, সেই বার্তা দিয়ে তিনি ফের একবার দিল্লির বিজেপি নেতৃত্বকে 'বাংলা-বিরোধী জমিদার' বলে আক্রমণ শাণিয়েছেন। মমতা বলেন, যতদিন তিনি আছেন, বাংলার মানুষের ওপর কোনও অন্যায় বা দুর্ভোগ নেমে আসতে দেবেন না এবং এ রাজ্যের ধর্মনিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামোকে রক্ষা করতে তিনি শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করবেন।
From my days in student politics to three terms as Chief Minister, I have walked every step of this journey with the people. That has never changed. It never will. There is no greater joy in my life than being among my Maa, Mati, Manush. You are my greatest asset. The inspiration… pic.twitter.com/lK4dP6XJkB
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial)Tweet by @MamataOfficial
আসন্ন নির্বাচনে দলের প্রার্থীদের জয়ী করার ডাক দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মা-মাটি-মানুষের কাছে জোড়াফুল চিহ্নের ওপর আস্থা রাখার আবেদন জানিয়েছেন। বিশেষত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রার্থীদের নাম উল্লেখ করে তিনি এই লড়াইয়ে সাধারণ মানুষকে তাঁর পাশে থাকার আর্জি জানান। মাথভাঙ্গা থেকে সাবলু বর্মন, শীতলকুচি থেকে হরিহর দাস এবং কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক ওরফে হিপ্পির হয়ে তিনি সওয়াল করেছেন। পাশাপাশি আলিপুরদুয়ারের সুমন কাঞ্জিলাল, কালচিনির বীরেন্দ্র বরা, কুমারগ্রামের রাজীব তিরকি, ফালাকাটার সুভাষ চন্দ্র রায় এবং মাদারিহাটের জয়প্রকাশ টোপ্পোকে জয়ী করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। দিনহাটার হেভিওয়েট প্রার্থী উদয়ন গুহ, সিতাইয়ের সঙ্গীতা রায় বাসুনিয়াসহ রাজ্যের প্রতিটি জোড়াফুল প্রার্থীর জন্য সমর্থন চেয়ে মমতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই লড়াই শুধুমাত্র ক্ষমতার নয়, বরং বাংলার সংস্কৃতি ও অধিকার রক্ষার লড়াই। তাঁর এই বার্তার মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হল যে, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ—সর্বত্রই তিনি তৃণমূলের প্রধান মুখ এবং জনগণের আস্থাই তাঁর একমাত্র পুঁজি।















