আজকাল ওয়েবডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে স্ট্রংরুম-এর সামনে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। এগরা থানার আইসি সুশান্ত চট্টপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থীর হয়ে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন পটাশপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী পীযুষকান্তি পন্ডা ও তাঁর সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হয় মহকুমা শাসক ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।
তৃণমূল প্রার্থী পীযুষকান্তি পন্ডার অভিযোগ, এগরা থানার আইসি সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে পটাশপুরের বিজেপি প্রার্থী তপন মাইতিকে স্ট্রংরুম পর্যন্ত নিয়ে যান। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূতভাবে এক প্রার্থীর প্রতি পুলিশের এই ‘বিশেষ আনুকূল্য’ নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তৃণমূল প্রার্থী ও কয়েকশো কর্মী-সমর্থক এগরা থানার আইসি-কে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। উত্তেজিত তৃণমূল কর্মীরা আইসি-র অপসারণের দাবি তুলে স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষোভের জেরে দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে স্ট্রংরুম সংলগ্ন চত্বর ও এগরা পটাশপুর রাজ্য সড়ক। উত্তেজনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন এগরা মহকুমা শাসক মঞ্জিত যাদব। তিনি বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তাতেও উত্তেজনা না কমায় অবশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে নামাতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেন।
বর্তমানে ওই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিককে ওই এলাকা থেকে না সরালে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। এ বিষয়ে বিজেপির পটাশপুর বিধানসভার প্রার্থী তপন মাইতি জানিয়েছেন, তৃণমূলের এগুলো মিথ্যে অভিযোগ। স্ট্রংরুম এলাকায় যতটা তাঁর যাওয়ার অনুমতি তিনি ততটাই গিয়েছিলেন। চাইলে তৃণমূল প্রার্থীও যেতে পারেন সেই পর্যন্ত। এর অতিরিক্ত কিছু করতে গেলে সরাসরি গুলি করে দেওয়ার অর্ডার রয়েছে। তাহলে তাঁর উপর গুলি চলত বলে জানিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী।















