আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটের পারদ চড়ছে বঙ্গে। এবার বাংলায় বিজেপির হয়ে প্রচারে ঝড় তুলতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করবেন উত্তরবঙ্গ থেকে। 

 

আগামিকাল, রবিবার উত্তরবঙ্গে কোচবিহার থেকে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামিকাল বিজয় সংকল্প সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি আগামী ৬ এপ্রিল, সোমবার সকাল ন'টায় পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি কার্যকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন প্রধানমন্ত্রী। 

 

রবিবার দুপুর তিনটে নাগাদ রাসমেলা ময়দানে জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জনসভাকে সামনে রেখে সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করতে মাঠে নেমেছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব। জনসভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাসমেলা ময়দান পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং কৈলাশ চৌধুরী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জেলা বিজেপি সভাপতি অভিজিৎ বর্মন এবং স্থানীয় নেতৃত্ব। 

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তাই এই অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করতে এই জনসভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে গেরুয়া শিবির। বিশেষ করে কোচবিহারের মতো জেলায় বড় জনসভা করে ভোটের আগে বার্তা দিতে চাইছে তারা।

 

গত বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা পর্বে পাশে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভোটের প্রচারের জন্য আগামী ১৫ দিন বাংলায় থাকবেন তিনি। 

 

বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারীকে পাশে নিয়ে রোড শো থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, ভবানীপুর যদি একটি সিটে জেতায়, তাতেই পরিবর্তন হবে। তিনি আরও বলেন, ‘‌শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি বলেছি ভবানীপুরে দাঁড়াতে। আমার কথাতেই শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর দাঁড়িয়েছে।’‌ শাহ আরও বলেন, ‘‌আমিই বলেছিলাম মমতার ঘরে গিয়ে ওঁকে হারাতে হবে। ভয় মুক্ত হয়ে ভোট দিতে হবে। তৃণমূলের মূল উপড়ে বাংলার খাড়িতে ফেলে দিতে হবে। যে যে রাজ্য মোদির ওপর ভরসা রেখে সরকার গড়েছে তারাই বিকাশের দিকে এগিয়ে গেছে।’‌ এরপরই ভবানীপুরবাসীর উদ্দেশে শাহ বলেন, ‘‌শুভেন্দুকে বহু ভোটে জেতান। তাহলেই পরিবর্তন হবে।’‌