আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র ও নেতাজি ইন্ডোরের সামনে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। উত্তর কলকাতার স্ট্রং–রুম এই নেতাজি ইন্ডোরের মধ্যে অবস্থিত ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র। সেখানেই ইভিএম–এর সুরক্ষা নেই, স্ট্রং রুমে বহিরাগতদের আনাগোনার অভিযোগ তুলে সরব হন তৃণমূলের দুই প্রার্থী কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা। ধর্নায় বসে পড়েন তাঁরা।


শুক্রবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। তিনি লেখেন, ‘‌শুক্রবার সকাল। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার ইসির অনিয়মের পর স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখা। মমতাদির নির্দেশে তৃণমূলের প্রার্থী, এজেন্ট, কর্মীরা সতর্ক। আমরা জিতব। কিন্তু ওদের চক্রান্তকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়া হবে না। জয় বাংলা।’‌


প্রসঙ্গত, ২৯ এপ্রিল বাংলায় শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। ফলপ্রকাশ ৪ মে। আপাতত কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে ইভিএম মেশিনকে। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে উত্তেজনা ছড়াতেই ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে হাজির হন তৃণমূলের বহু কর্মী, সমর্থক। সেখানে আবার হাজির হন বিজেপির দুই প্রার্থী তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক। এরপরই পরিস্থিতি জটিল হয়। দুই দলের কর্মী, সমর্থকরা একে অপরে ইঙ্গিত করে ‘‌জয় বাংলা’‌ ও ‘‌জয় শ্রীরাম’‌ স্লোগান দিতে শুরু করে। বেঁধে যায় বচসা।

 

https://www.facebook.com/100015290803888/posts/2385131692006501


এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। সরিয়ে দেওয়া হয় জমায়েত। গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয় গোটা এলাকা। সমস্ত দলের কর্মী সমর্থকদের বার করে দেওয়া হয় ওই চত্বর থেকে। এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। রাত বাড়তেই কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা নেতাজি ইন্ডোরের সামনে থেকে বেরিয়ে যান। কুণাল ঘোষ জানান, তাঁদের স্ট্রং রুমে কড়া নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কমিশন ও পুলিশ। তারপর শুক্রবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্ট কুণালের। 


এদিকে, এই ঘটনার পর মমতা ব্যানার্জি যান ভবানীপুর বিধানসভার স্ট্রং রুম শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে।