আজকাল ওয়েবডেস্ক: অবশেষে ঘেরাওমুক্ত হলেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জেলার পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে তাদের মুক্ত করা হয়।
এটা ঘটনা, মালদহের কালিয়াচকে ভোটার তালিকা থেকে ‘নাম বাদ যাওয়া’কে কেন্দ্র করে বুধবার বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় এলাকাবাসীরা। রাস্তা অবরোধ করে চলে বিক্ষোভ। বিক্ষোভের জেরে কালিয়াচক–২ ব্লকে সাত জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিক আটকে থাকেন। ব্লক অফিসে তাঁদের ঘেরাও করে রাখা হয়।
অবশেষে রাত ১২টার পর ঘেরাওমুক্ত হন সেখানে আটকে থাকা বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। প্রায় আট ঘণ্টা পরে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বিক্ষোভস্থল থেকে নিয়ে যায়। এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের সুজাপুর বিধানসভার ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত হল। জানা গিয়েছে, চার দিনের মধ্যে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার প্রশাসনের প্রতিশ্রুতির পর অবরোধ তোলেন আন্দোলনকারীরা।
এদিকে, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ঘেরাও হওয়া বিচারকদের উদ্ধারের সময় পুলিশের লাঠিচার্জ করা হয়। এর পর বিচারকদের নিয়ে কনভয় যখন যাচ্ছিল তখন এক আন্দোলনকারীকে ধাক্কা মারা হয়। তিনি আহত হন বলে অভিযোগ।
এটা ঘটনা, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারেন। কিন্তু মালদহে বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, তাঁদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে হবে। এই দাবিতে বুধবার সকাল থেকে মালদহের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়। মোথাবাড়ি এবং সুজাপুর এলাকায় সকাল থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন এলাকাবাসীদের একাংশ। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ১১টা থেকে অবরোধ বিক্ষোভ শুরু হয়। যা গভীর রাত পর্যন্ত চলে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ ছিল, মালদহের কালিয়াচক এক নম্বর ব্লক কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লক ইংরেজবাজার সহ জেলার বিভিন্ন জায়গায় সংখ্যালঘুদের নাম এসআইআর এর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে সব নাম ভোটার লিস্টে তোলার দাবিতে অবরোধ করা হয়। এর ফলে টানা প্রায় ১২ ঘন্টা অবরুদ্ধ হয়ে থাকে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক।
শেষে রাত ১২টা নাগাদ ঘেরাওমুক্ত হন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। আর বৃহস্পতিবার সকালে কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের সুজাপুর বিধানসভার ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত হয়। তবে এলাকায় টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।















