আজকাল ওয়েবডেস্ক: দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং কলকাতা পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন। রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এই বৈঠকে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক করে কমিশন।

প্রথম দফায় যেটুকু অশান্তির খবর মিলেছিল তাও যাতে বুধবারের ভোটে এড়ানো যায় তা নিয়ে অত্যন্ত কড়া কমিশন। এদিন কমিশনের তরফে বৈঠকের পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় কুমার নন্দ জানান, ভোটকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের তরফে জোরদার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স

মস্ত সিভিল সেক্টর অফিসার, পুলিশ সেক্টর অফিসার, জেনারেল অবজার্ভার, পুলিশ অবজার্ভার, স্পেশাল অবজার্ভার এবং পুলিশের সিনিয়র আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করে ভোট সংক্রান্ত বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, 'বুথভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান, প্রতিটি সেক্টরে বুথের সংখ্যা, কুইক রেসপন্স টিম, এইচআরএফএস, কন্ট্রোল রুমের সংখ্যা, বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা এবং সিএপিএফের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে কীভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়েও নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।' 

এর পাশাপাশি, বাইক ব্যবহারের বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ নিয়েও আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে। জানা গিয়েছে, নির্বাচনের দিন নজরদারি বাড়াতে প্রতিটি এলাকায় দু’টি করে ভিজিল্যান্স ক্যামেরা বসানো হবে, যা সিইও অফিসের নির্দেশ অনুযায়ী করা হচ্ছে।

পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্যামেরার ব্যবস্থাও থাকবে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মূল লক্ষ্য হল অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা। যাতে ভোটাররা ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারেন এবং কোনওরকম হিংসা বা আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

নিরাপত্তা জোরদার করতে ১৬০টি বাইক নিয়ে বিশেষ পেট্রোলিং চালানো হবে। প্রতি ৩-৪টি মোটরসাইকেলে ৬-৮ জন পুলিশ কর্মী মোতায়েন থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে সিএপিএফ জওয়ানরাও থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

এদিন কমিশনের তরফে ছিলেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। কলকাতা পুলিশের সিপি, ওসি, আইসি সহ পুলিশের একাধিক আধিকারিকও ছিলেন। জানা গিয়েছে, কমিশনের তরফেও পুলিশকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

কমিশন সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের এলাকায় যদি কোনও রকম ঝামেলা হয় তাহলে ওসি বা আইসিদের কড়া জবাবদিহির মুখে পড়তে হবে। এই ধরনের ঝামেলা হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ করতে হবে।