আজকাল ওয়েবডেস্ক: শুভেন্দু অধিকারীর বুথ পরিদর্শনের মাঝেই রণক্ষেত্র ভবানীপুর। সকাল থেকে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র পরিদর্শন করছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।এদিন দুপুর নাাগাদ মিত্র ইনস্টিটিউশনে পৌঁছন তিনি।
কিছুক্ষণ পর মিত্র ইনস্টিটিউশন থেকে জয়হিন্দ ভবনের দিকে যান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির। ১০০ মিটারের মধ্যে বিরোধী দলনেতা পৌঁছলে তাঁকে দেখে হঠাৎই জয় বাংলা স্লোগান ওঠে চারদিক থেকে।
বুথ পরিদর্শনের মাঝে এই স্লোগান শুনে শুভেন্দু এবং আশেপাশের কর্মীরা পাল্টা জয় শ্রী রাম স্লোগান দেন। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হলে এলাকায় পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী।
ঘটনাস্থলে পৌঁছন, কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর অভিযোগ, 'ভোট শান্তিপূর্ণই হচ্ছিল। কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। হঠাৎ শুভেন্দু অধিকারী এসে ভোটারদের প্রভাবিত করেন। ঠিক জায়গায় ভোট দেবেন, কী রান্না করেছেন এইসব জিজ্ঞেস করছিলেন।'
জানা গিয়েছে, সকাল থেকেই ভোট পরিদর্শন করছিলেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময়ই জয় হিন্দ ভবনের অর্থাৎ ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে অভিষেক ব্যানার্জির বাড়ির থেকে কিছুটা দূরত্বে বুথ পরিদর্শনে পৌঁছন তিনি। সেখানে কয়েকজন ভোটাররা আগে থেকেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁকে দেখে হঠাৎই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ, বিরোধী দলনেতাকে দেখে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হয়। পাল্টা তিনি বুথ থেকে বেরিয়ে আসেন। বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, কী ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, শুভেন্দু চিৎকার করে বলেন, এই ধরনের অসভ্যতা যেন না করা হয়।
অভিযোগ, শুভেন্দু এই কথা বলার পরেই দেখা যায়, যে আরও বেশি করে জয় বাংলা স্লোগান ওঠে। এরপরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। তারপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।
কাউন্সিলর কাজরী ব্যানার্জি ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। একদিক থেকে শুভেন্দু অধিকারী অন্যদিক থেকে কাজুরি ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়।
জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে ফের ঘুরে আসেন মমতা। তারপরেই সিআরপিএফের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে লাঠিচার্জও করা হয়। তারপরেই শুভেন্দু অধিকারী সেখান থেকে বেরিয়ে যান।
সেখান থেকে বেরিয়ে নিজের কার্যালয়ে ফিরে যান তিনি। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, তাঁর ওপর হামলা করা হয়েছে। পাল্টা তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, শুভেন্দু প্রমাণ করে দেখাক যে তাঁর ওপর হামলা করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ভবানীপুরের ঘটনাস্থলে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু। তবে গোটা ঘটনার দায় অস্বীকার করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে।
















