আজকাল ওয়েবডেস্ক: সাংবাদিক সম্মেলনে স্মৃতিভ্রম হল বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের। কখনও ভুল বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কেন্দ্রের নাম, কখন ভুলে মেরে দিলেন খোদ নিজের দলনেতার উপাধিই। শমীকের এই ‘ভুল’-এর সুযোগ হাতছাড়া করেনি তৃণমূল। বাংলার শাসকদলের খোঁচা, “এরা নাকি আবার বাংলার ভবিষ্যৎ ঠিক করতে চায়।”
এদিন সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শমীক। সেখানে একটি প্রশ্নের উত্তরে তিনি শুভেন্দুর কেন্দ্রের নাম বলেন চণ্ডীপুর এবং ভবানীপুর। পাশ থেকে কেউ ঠিক করে দিলে তিনি নিজেকে সংশোধন করে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর বলেন। এর পরে করলেন আরও এক সাঙ্ঘাতিক ভুল। শুভেন্দু অধিকারীর উপাধি বদলে করে দিলেন শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়।
শমীকের বক্তব্যের নির্দিষ্ট ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও নিজেদের এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেছে তৃণমূল। শাসকদলের খোঁচা, “জায়গার নাম বলতে পারেন না। নিজেদের নেতার নামও বলতে পারেন না। অথচ বাংলার ভবিষ্যত ঠিক করতে চায়। হাস্যকর।” এখানেই থামেননি তৃণমূল। টুইটে আরও লেখা হয়েছে, “ভুল তথ্য নয়। ভুল বোঝাবুঝি নয়। শুধু… কোনও তথ্যই নেই তাঁর কাছে। এরপর, কেউ কি তাঁকে মনে করিয়ে দেবেন যে তিনি কেন কথা বলছেন?”
শাসকদল বারবার অভিযোগ করে আসছে ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। সেই অভিযোগের জবাব মঙ্গলবার দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে রাজ্যে ১০০ দিনের কাজের টাকা আসছে না তৃণমূল কংগ্রেসের সদিচ্ছার অভাবে। তিনি বলেন, “রাজ্যে যে ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে আছে তার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসই দায়ী। কেন্দ্র বলেছিল 'লেবার বাজেট' জমা দাও। কিন্তু এই রাজ্যের সরকার সেটা দেয়নি। স্রেফ রাজ্যে একটা কেন্দ্র বিরোধীতার মনোভাব টিকিয়ে রাখার জন্য।”
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে শমীক অভিযোগ করেন, রাজ্যে একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ আটকে দিয়েছে তৃণমূল সরকার। এছাড়াও, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন ‘বেনিয়ম’-এর অভিযোগ তুলে ধরেন শমীক। বিজেপি সভাপতির দাবি, ক্ষমতায় আসার আগে যে শিক্ষাঙ্গনকে মমতা ব্যানার্জি দুর্নীতিমুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন সেই শিক্ষাঙ্গণ আজ দুর্নীতির আঁতুরঘর।














